মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর নির্যাতন থেকে প্রাণে বাঁচতে কক্সবাজারে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ ও আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরে এলেও বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশন ব্যবস্থা এখনো ব্যাপকভাবে গড়ে ওঠেনি। ৱ
ব্যক্তিগত উদ্যোগ ও বিভিন্ন সংস্থা থেকে নলকূপ ও টয়লেট নির্মাণ করা হচ্ছে তবে তা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম। নলকূপ ও পানীয় ব্যবস্থা বাড়ানোর দাবি আশ্রয়প্রার্থী রোহিঙ্গাদের।
মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর নির্যাতন থেকে বাঁচতে এখনো পালিয়ে উখিয়া আর টেকনাফে আসছেন রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী।
প্রায় প্রতিদিন ব্যক্তিগতভাবে এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও বিদেশি ত্রাণ সহায়তা দেয়া হলেও এতোদিন শৃঙ্খলা ছিলো না। সেনাবাহিনী সহায়তা দেয়ার পর ত্রাণ বিতরণসহ সব কিছুতে শৃঙ্খলা ফিরতে শুরু করেছে।
নতুন করে তৈরি করা বিভিন্ন ক্যাম্পে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গা নারী-পুরুষ ও শিশুদের জন্য সেখানে নেই পর্যাপ্ত স্যানিটেশন ও বিশুদ্ধ পানীয় ব্যবস্থা।
তবে, সম্প্রতি বেশ কিছু বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ও ব্যক্তিগত উদ্যোগে নলকূপ ও স্যানিটেশনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলে জানান ফর হিউম্যানিটির পরিচালক মোহাম্মদ রেজাউল করিম।
গতমাসের ২৪ আগস্ট পুলিশ চৌকি ও সেনা ক্যাম্পে বিদ্রোহী রোহিঙ্গাদের হামলার নাম করে ২৫ আগস্ট থেকে রোহিঙ্গাদের ওপর নির্মম অত্যাচার শুরু করে দেশটির সেনাবাহিনী। সেই থেকে এ পর্যন্ত বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে প্রায় ৪ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা।