মিয়ানমারের রাখাইনে সহিংসতা ও নির্যাতন থেকে বাঁচতে বাংলাদেশে পালিয়ে আসাদের মধ্যে এখন পর্যন্ত ২ লাখ ২৪ হাজার রোহিঙ্গার বায়োমেট্রিক নিবন্ধন শেষ হয়েছে জানিয়েছেন পাসপোর্ট অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মাসুদ রেজোয়ান।
৬টি কেন্দ্রে ১০০টি বুথে প্রতিদিন ১২ থেকে ১৩ হাজারের মতো রোহিঙ্গার নিবন্ধন করা হচ্ছে— এই গতিতে কাজ এগুলে এক মাসের মধ্যে আশ্রিত সব রোহিঙ্গাকে নিবন্ধনের আওতায় আনা সম্ভব হবে বলেন তিনি।
কক্সবাজারে রোহিঙ্গাদের অস্থায়ী ক্যাম্পের রেজিষ্ট্রেশন সেন্টারগুলোতে নিবন্ধনের জন্য রোহিঙ্গারা ভীড় করছেন। নিবন্ধন কাজের গতিও বেড়েছে।
প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে ৫টা পর্যন্ত রেজিস্ট্রেশন শেষ করে ছবিযুক্ত কার্ড সংগ্রহ করছেন শরণার্থীরা। শুরুর দিকে কেন্দ্র ও যন্ত্রপাতির সীমাবদ্ধতা থাকলেও এখন এসব সীমাবদ্ধতা নেই। এছাড়া শুরুর দিকে রেজিস্ট্রেশনে অনীহা ছিলো রোহিঙ্গাদের অনেকেরই। তবে ত্রাণসহ বিভিন্ন সহযোগিতা পেতে নিবন্ধন কার্ডের গুরুত্ব বোঝার পর নিবন্ধনে তাদের আগ্রহ বেড়েছে।
রোহিঙ্গা তথ্যভাণ্ডার তৈরির কাজ তদারকি করতে কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের ৬টি রোহিঙ্গা নিবন্ধন কেন্দ্র পরিদর্শণ করেন পাসপোর্ট অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মাসুদ রেজোয়ান।
নিবন্ধন প্রক্রিয়া আরো গতিশীল করতে আরো বুথ বাড়ানোর নির্দেশনা দেন। এক মাসের মধ্যে রোহিঙ্গা তথ্যভাণ্ডার তৈরির কাজ শেষ হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
ছবিযুক্ত এই কার্ডের মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের সঠিক পরিসংখ্যান রেখে সাময়িক আশ্রয় ও মানবিক সহায়তা দেয়া সহজ হবে। সেইসঙ্গে রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠাতেও এই তথ্যভাণ্ডারের গুরুত্ব রয়েছে।