মিয়ানমারে সেনা নির্যাতন থেকে এখনো পালিয়ে আশ্রয়ের জন্য বাংলাদেশে আসছেন রোহিঙ্গারা।
কক্সবাজারের উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের আঞ্জুমানপাড়া সীমান্তে আটকাপড়া রোহিঙ্গাদের নিয়ে আসা হয়েছে ক্যাম্পে। উখিয়া ও টেকনাফের ক্যাম্পে দুই মাসে আসা ছয় লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা অবস্থান করছেন। বৈরী আবহাওয়ার কারণে বৃষ্টিতে আশ্রিতদের ভোগান্তি বেড়েছে।
মিয়ানমারে নির্যাতন থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের খাদ্য, চিকিৎসা সেবাসহ সব ধরনের মানবিক সহায়তা দেয়া হচ্ছে। প্রতিদিন নতুন করে আসা রোহিঙ্গাদের পলিথিন, ত্রিপল, কম্বলসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম দেয়ার হচ্ছে।
বালুখালীতে ৩ হাজার একর এলাকায় ২০টি ব্লক করে রাখা হয়েছে আশ্রিতদের।
তাদের জন্য টিউবঅয়েল বসানোর পাশাপাশি স্যানিটেশন, ঘর ও সড়ক নির্মাণ করা হয়েছে। সম্পন্ন হয়েছে ২ লাখ ২৪ হাজারের বেশি রোহিঙ্গার রেজিস্ট্রেশন।
মিয়ানমারে নির্যাতিত শিশুদের জন্য রিজিওনাল ট্রমা সেন্টার, নারীদের জন্য কাউন্সিলিং সেন্টার ও ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে সার্বক্ষণিক সেবা দেয়া হচ্ছে। তবে টানা ঝড়-বৃষ্টিতে ভোগান্তি বেড়েছে রোহিঙ্গাদের।
রোহিঙ্গাদের সব ধরনের সহায়তার পাশাপাশি সার্বিক ব্যবস্থাপনায় কাজ করে যাচ্ছে প্রশাসন বলে জানান উখিয়ার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নিকারুজ্জামান।
আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে অসুস্থ রোগির সংখ্যা বেড়েছে— শিশুদের মধ্যে ঠাণ্ডাজনিত রোগের প্রকোপ বেশি দেখা দিয়েছে।