বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের মাঝে এ পর্যন্ত ২০ হাজার এতিম শিশু শনাক্ত করা হয়েছে।
এসব এতিম শিশুদের প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বিশেষ সুরক্ষা জোনে রাখা হবে— তাদের বেড়ে ওঠা নিশ্চিত করতে তাদেরকে একটি সেইফ জোনে রাখার এই উদ্যোগ দিয়েছে সমাজসেবা অধিদপ্তর। সেই লক্ষ্যে কাজ করছে তারা।
মিয়ানমারের রাখাইনে সেনাবাহিনীর বর্বর নির্যাতনে নিহত হয়েছে অনেক রোহিঙ্গা শিশুর বাবা-মা।
নির্যাতন থেকে বেঁচে যাওয়া শিশুরা আত্মীয় স্বজন কিংবা প্রতিবেশিদের সঙ্গে পালিয়ে এসেছে বাংলাদেশে।
এসব শিশুর সার্বিক বিষয় বিবেচনা করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে উখিয়ায় গড়ে তোলা হবে শিশু সুরক্ষা জোন।
এর অংশ হিসেবে রোহিঙ্গা এতিম শিশুদের শনাক্ত করার কাজ চলছে— এ পর্যন্ত প্রায় ২০ হাজার এতিম শিশু শনাক্ত করা হয়েছে।
এসব শিশুর ছবিসহ তথ্য সংগ্রহের কাজ সম্পন্ন করতে সমাজসেবা অফিসের শতাধিক কর্মকর্তা কর্মচারী বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কাজ করছেন।
এদিকে, বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা রোহিঙ্গাদের কলেরাজনিত ডায়রিয়া থেকে রক্ষায় প্রথম রাউন্ডের টিকাদান কর্মসূচি শেষ হয়েছে।
দ্বিতীয় রাউন্ডের কলেরার টিকা দেয়া হবে ৩১ অক্টোবর থেকে।