মিয়ানমার সেনাবাহিনীর দমন-পীড়ন ও নির্যাতনের শিকার হয়ে এখনো তিন হাজার রোহিঙ্গা কক্সবাজারের উখিয়ার আঞ্জুমানপাড়া সীমান্ত দিয়ে এসে শূন্য রেখায় অবস্থান করছে।
নাফ নদীর ওপারে অপেক্ষায় রয়েছে কয়েক হাজার। এদিকে, অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়লে রোহিঙ্গাদের ছাড় দেয়া হবে না বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জেল হোসেন চৌধুরী মায়া।
মিয়ানমারের রাখাইনে সেনা সহিংসতা অব্যাহত রয়েছে— তাদের দমন-পীড়ন ও নির্যাতনের শিকার হয়ে এখনো রোহিঙ্গারা এদেশে পালিয়ে আসছেন।
কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার আঞ্জুমানপাড়া সীমান্তের কাঁটাতার ও নাফ নদী পাড়ি দিয়ে শূন্য রেখায় অবস্থান করছে কয়েক হাজার রোহিঙ্গা। নাফ নদীর ওপারে প্রবেশের অপেক্ষায় প্রায় দশ হাজার তবে, অনুপ্রবেশ ঠেকাতে সতর্ক রয়েছেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ-বিজিবি সদস্যরা।
মিয়ানমার সেনাবাহিনীর নির্যাতনের শিকার হয়ে ২৫ আগস্টের পর রাখাইন থেকে এ পর্যন্ত ৬ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে।
এদিকে, রোহিঙ্গা পরিস্থিতি সরকার দ্রুত সামলে উঠতে পারবে বলে জানিয়েছেন ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া।
চাঁদপুরের মতলবে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মধ্যে ত্রাণ-সামগ্রী বিতরণ করতে গিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরো জানান, আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গারা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়লে তাদের ছাড় দেয়া হবে না।