তৃতীয় দফায় মেয়াদ শেষ হলেও নানা অজুহাতে চালু হচ্ছে না দ্বিতীয় তিস্তা সড়ক সেতু।
মূল সেতুর শতকরা ৯৯ ভাগ কাজ শেষ হলেও সংযোগ সড়ক প্রশস্ত করার জন্য এখনো জমি অধিগ্রহণ করা হয়নি। ফলে পিছিয়ে যাচ্ছে সেতুর উদ্বোধন। এতে ভোগান্তি দীর্ঘায়িত হচ্ছে রংপুর ও লালমনিরহাট জেলার মানুষদের।
রংপুর ও লালমনিরহাটের বাসিন্দাদের মধ্যে যোগাযোগ বন্ধন গড়ে তুলতেই ২০১২ সালে এলজিইডির তত্ত্বাবধানে দ্বিতীয় তিস্তা সড়ক সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু হয়। ২০১৪ সালের ৩০ জুন কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও সময় বাড়ানো হয়েছে। নির্মাণ কাজে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করায় ২০১৫ সালে এর দুটি গার্ডার ভেঙে পড়ে। পরবর্তীতে তৃতীয় দফায় মেয়াদ বাড়িয়ে ২০১৭ সালের জুন মাসের মধ্যে সেতুটি হস্তান্তরের জন্য ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে সময়সীমা বেধে দেয় কর্তৃপক্ষ। কিন্তু সংযোগ সড়কের জমি অধিগ্রহণ ও চারলেনের কাজ শুরু না হওয়ায় এখনো সেতুটি চালু হয়নি। এতে এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।
সেতুর কাজ ৯৯ শতাংশ শেষ হয়েছে জানিয়ে সংযোগ সড়কের জন্য জমি অধিগ্রহণের তাগিদ দেন নির্বাহী প্রকৌশলী এস এম জাকিউর রহমান।
তবে, সেতু নির্মাণের কাজ সবটাই শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নাভানা কনস্ট্রাকশন।
আটশো ৫০ মিটার দৈর্ঘ্য ও নয় দশমিক ছয় মিটার প্রস্থের সেতুটি নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে একশো ২১ কোটি ৬৫ লাখ টাকা। সেতুটি চালু হলে বিভাগীয় শহর রংপুরের সঙ্গে লালমনিরহাটের চার উপজেলার প্রায় ৫০ কিলোমিটার দূরত্ব কমে যাবে।