গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের সাহেবগঞ্জ ইক্ষু খামারে সাঁওতালদের বাড়িতে হামলা, উচ্ছেদ-হত্যা ও অগ্নিসংযোগের একবছর পার হলেও এখনো কমেনি তাদের উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা।
জমি আর ফসলের অধিকার হারিয়ে তারা এখন অসহায়। বাপ-দাদার জমিতেই পুনর্বাসন করা হবে এমন প্রত্যাশা উচ্ছেদ হওয়া সাঁওতালদের।
গত ২০১৬ সালের এ দিনে প্রভাবশালীদের ইন্ধনে আখ বীজ কাটার অজুহাতে গোবিন্দগঞ্জে সাহেবগঞ্জ ইক্ষু খামারের জমিতে নামে রংপুর সুগার মিল কর্তৃপক্ষ। স্থানীয় সুবিধাভোগীদের সহযোগিতায় তারা সাঁওতালদের ওপর হামলা চালায়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তায় উচ্ছেদের নামে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয় সাঁওতাল বসতিতে, চালানো হয় গুলি ঘটে হতাহতের ঘটনা।
সাঁওতালদের চোখের সামনে কাঁটাতার দিয়ে ঘিরে ফেলা হয় ইক্ষু খামারের জমি। এখনো ফসলের অধিকার পায়নি তারা। দিন কাটাচ্ছেন নানা হুমকির মুখে।
এ ঘটনায় সাঁওতালদের পক্ষ থেকে মামলা হলেও প্রশাসনের গাফিলতিতে তা আর এগোয়নি।
মামলার বাদী থমাস হেমব্রন বলেন, ৩৩ আসামির মধ্য আটক করা হয় মাত্র একজনকে।
সেদিনের হামলায় আহতদের অনেকেই এখন আর কাজ করতে পারেন না বলে জানা গেছে।
ভুক্তভোগী দ্বিজেন টুডু জানান, এ ঘটনার পর থেকে মানবেতর অবস্থায় দিন কাটছে তাদের।
সাঁওতালদের ওপর হামলায় জড়িতদের বিচারের দাবি জানিয়েছেন, আদিবাসী বাঙালী সংহতি পরিষদের আহ্বায়ক অ্যাড. সিরাজুল ইসলাম বাবু।