টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌরুটে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল বন্ধ থাকায় বিরূপ প্রভাব পড়ছে এ অঞ্চলের পর্যটন শিল্পে। রোহিঙ্গা ইস্যুতে সীমান্ত জটিলতার কারণে এর অনুমতি পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
এতে কক্সবাজারের পর্যটন শিল্প ও অন্যান্য খাতে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে জাহাজ চলাচল কর্তৃপক্ষ বা প্রশাসন কেউ এ বিষয়ে পরিষ্কার করে কিছুই বলেনি।
প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমণ্ডিত দেশের একমাত্র প্রবালদ্বীপ সেন্টমার্টিন। আবহাওয়ার পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকায় প্রতিবছর মধ্য অক্টোবর থেকে মার্চ পর্যন্ত সেন্টমার্টিন ভ্রমণে যান লাখো পর্যটক। কিন্তু এবছর টেকনাফ-সেন্টমার্টিন রুটের জাহাজগুলো এখনো পর্যন্ত চলাচলে প্রশাসনের অনুমতি পায়নি।
এতে সেন্টমার্টিনকে উপলক্ষ করে বেড়াতে আসা পর্যটকরা কক্সবাজার বিমুখ হচ্ছেন। যাতে হোটেল-মোটেল, খাবার রেস্তোরা, ব্যবসা-বাণিজ্য, পরিবহন সেক্টরসহ কক্সবাজারের পর্যটন শিল্পে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।
জাহাজ মালিকরা বলেন, মুলত রোহিঙ্গা ইস্যুতে বন্ধ রয়েছে জাহাজ চলাচল। কবে নাগাদ প্রশাসনের অনুমতি পাওয়া যাবে তাও জানা নেই। এতে অনেকেই বেকার হয়ে পড়েছেন বলে জানালেন তারা।
প্রশাসন বলছে, নৌ পরিবহন ও কোস্টগার্ডের অনুমতি না পাওয়ায় জাহাজ চলাচল শুরু করা যাচ্ছে না।
এদিকে, জাহাজ চলাচল ও সীমান্ত ইস্যুতে আগামী কয়েকদিনের মধ্যে মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিপির সঙ্গে বৈঠকের কথা রয়েছে বিজিবির। এরপরই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হবে। আর এ সিদ্ধান্তের দিকেই তাকিয়ে পর্যটন শিল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা।