দুইমাসেরও বেশি সময় ধরে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির তুমব্রু সীমান্তের শূন্যরেখায় আশ্রয় নিয়েছে প্রায় দেড় হাজার রোহিঙ্গা পরিবার— সেখানেও আতংক পিছু ছাড়ছে না তাদের।
সীমান্তে প্রতিনিয়ত টহল দিতে আসা মিয়ানমার সেনারা তাদের অস্ত্র দেখিয়ে হুমকি দিচ্ছে।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা বলেন, এসব রোহিঙ্গাকে দ্রুত সরিয়ে না নিলে সীমান্তে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।
বিষয়টি স্বীকার করে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়ার কথা জানিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ-বিজিবি কর্মকর্তারা।
অন্য সবার মতো মিয়ানমারে নির্যাতন নিপীড়নের মুখে পালিয়ে এসেছেন এসব রোহিঙ্গা। তবে আতংক আর অনিশ্চয়তা নিয়ে দুই মাসেরও বেশি সময় ধরে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার তুমব্রু সীমান্তের শূন্যরেখায় থাকছেন ১৩৭৪ টি রোহিঙ্গা পরিবার। দিশেহারা এসব মানুষের আতংক কোনোভাবেই পিছু ছাড়ছে না। কারণ মিয়ানমার সেনারা শূন্যরেখা ঘেঁষে প্রতিদিন টহল দেয়ার সময় তাদের অস্ত্র দেখিয়ে হুমকি দিচ্ছে।
সীমান্ত দিয়ে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের সরকার নির্ধারিত ক্যাম্পে নেয়া হলেও এখনো তুমব্রু সীমান্তে আশ্রয় নেয়া এসব মানুষকে সরিয়ে নিতে প্রশাসনিক কোনো সিদ্ধান্ত এখনো হয় নি। ফলে সীমান্তে উত্তেজনা তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
তবে বিজিবির কর্মকর্তা বলেন, সীমান্তে নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কায় দ্রুত এসব রোহিঙ্গা পরিবারগুলোকে সরিয়ে নেয়ার কাজ শুরু হবে।
অন্যদিকে সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি তুমব্রু শূন্যরেখায় আশ্রয় নেয়া ১০ হাজারেরও বেশি রোহিঙ্গাদের ত্রাণ, চিকিৎসা সেবাসহ আন্যান্য মানবিক সহায়তা দিচ্ছে স্থানীয় প্রশাসন ও বিজিবি।