রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা চুক্তি হলেও নিরাপত্তাহীনতার কারণে আশ্রিতদের অনেকেই মিয়ানমারে ফিরতে চান না। স্বদেশে নিরাপত্তা, আবাসস্থল ও কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা প্রয়োজন। এছাড়াও রোহিঙ্গাদের দেশে ফিরতে অনিহার নেপথ্যে ত্রাণের প্রাচুর্যও ইন্ধন যোগাচ্ছে।
গত তিন দশকের বেশি সময় ধরে কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের আশ্রয় কেন্দ্রসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গার সংখ্যা ৫ লাখেরও বেশি। সবশেষ গত ২৫ আগস্ট মিয়ানমারে সেনা বাহিনীর নির্যাতন-নিপীড়নের জেরে নতুন করে কক্সবাজারে আশ্রয় নিয়েছেন আরও ৭ লাখ রোহিঙ্গা।
এখনো এপারে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ অব্যাহত রয়েছে। বিষয়টি এখন আর্ন্তজাতিক মহলে ব্যাপক আলোচিত একটি ইস্যু।
সম্প্রতি মিয়ানমার ও বাংলাদেশের মধ্যে রোহিঙ্গাদের স্বদেশে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে একটি সমঝোতা চুক্তি হয়েছে। এ চুক্তি নিয়ে রোহিঙ্গারা দেখিয়েছেন মিশ্র প্রতিক্রিয়া। অনেকে স্বদেশে ফেরত যেতে চাইলেও অনেকে আবার বলছেন ভিন্ন কথা। নিরাপত্তাহীনতার প্রশ্নে তারা এখনই দেশে ফিরতে রাজী নন।
রোহিঙ্গাদের মিয়ানমার প্রত্যাবাসনে স্থায়ী নিরাপত্তা প্রদান, আবাসস্থল নির্মাণ ও কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা প্রয়োজন বলে মনে করেন কক্সবাজার পিপলস ফোরামের সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ ইকবাল।
আর কক্সবাজার রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন কমিটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মাহমুদুল হক চৌধুরী বলেন, স্বদেশ প্রত্যাবাসনে রোহিঙ্গাদের মধ্যে জনমত সৃষ্টি করা প্রয়োজন।