রাজশাহী, পাবনা, দিনাজপুর ও কুষ্টিয়া অঞ্চলের ওপর দিয়ে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে।
কনকনে ঠাণ্ডা আর হিমশীতল বাতাস শীতের তীব্রতা আরো বাড়িয়ে দিয়েছে।
রোববার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে দিনাজপুর ৫.১ ও রাজশাহীতে ৫.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আগামী তিন দিনে তাপমাত্রা বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
সারাদেশের ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে শৈত্য প্রবাহ। রাজশাহী, পাবনা, দিনাজপুর ও কুষ্টিয়া অঞ্চলের ওপর দিয়ে তীব্র শৈত্ প্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। শ্রীমঙ্গল ও সীতাকুণ্ড অঞ্চলসহ ঢাকা, ময়মনসিংহ ও বরিশাল বিভাগ এবং রাজশাহী, রংপুর ও খুলনা বিভাগের অবশিষ্ট অংশের ওপর দিয়ে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা আরো কয়েকদিন অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
পরবর্তী ৭২ ঘণ্টায় তাপমাত্রা কিছুটা বাড়বে বলে জানায় আবহাওয়া অফিস।
শৈত্যপ্রবাহে হাড় কাঁপানো কনকনে শীতে বিপর্যস্ত দিনাজপুরের জীবনযাত্রা। জেলায় চলতি মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৫ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তীব্র শীতে ছিন্নমূল মানুষের দুর্ভোগ বেড়েছে। গত কয়েকদিনে তাপমাত্রা ৯/১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে উঠানামা করলেও হঠাৎ করেই শনিবার থেকে কমতে শুরু করছে তাপমাত্রা।
পাবনার ঈশ্বদীতে ৫.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে স্থানীয় আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ অবস্থা আরো কয়েকদিন থাকতে পারে বলে জানায় আবহাওয়া অফিস।
প্রচণ্ড শীত আর হিমেল বাতাসে এ অঞ্চলের মানুষের জীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। ঘন কুয়াশার মধ্যে মহাসড়কগুলোতে ধীরগতিতে যান চলাচল করছে। শীতে হাসপাতালগুলোতে বাড়ছে শিশু ও বৃদ্ধ রোগীর সংখ্যা।
কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট আর গাইবান্ধায় ও জেঁকে বসেছে শীত। এতে জনজীবনে দেখা দিয়েছে নানা সমস্যা। দুপুর গড়িয়ে গেলেও সূর্যের দেখা মিলছে না। ঘন কুয়াশা আর ঠাণ্ডার কারণে স্বাভাবিক কাজ ব্যাহত হচ্ছে।