বেদনাবিধুর পরিবেশের মধ্যে দিয়ে নেপালে বিমান দুর্ঘটনায় নিহত ২৩ জনের দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
মঙ্গলবার সকালে সাংবাদিক আহমেদ ফয়সাল, ফারুক হোসেন প্রিয়ক ও তার মেয়ে প্রিয়ংময়ী তামাররা, সানজিদা হক বিপাশা, তার স্বামী রফিক জামান রিমু ও তাদের একমাত্র সন্তান অনিরুদ্ধ জামানকে দাফন করা হয়েছে। তাদের জানাজায় অংশ নেন উপজেলা প্রশাসন, সাংবাদিক, বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সুশীল সমাজসহ সর্বস্তরের মানুষ। এর আগে মরদেহ নিজ নিজ বাড়িতে পৌঁছালে শোকাবহ পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
নেপালে বিমান দুর্ঘটনায় নিহত ২৬ বাংলাদেশির মধ্যে ২৩ জনের মরদেহ সোমবার বিকালে পরিবারের কাছে হস্তান্তরের করা হয়। সেখান থেকে মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় নিজ নিজ বাড়িতে।
গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার নগরহাওলা গ্রামের ফারুক হোসেন প্রিয়ক ও তার শিশু কন্যা প্রিয়ংময়ী তামারার মরদেহ সোমবার রাতেই তাদের গ্রামের বাড়িতে নেয়া হয়। গতকালই ফারুক হোসেন প্রিয়কের স্ত্রীকে চিকিৎসা শেষে বাড়ি নেয়া হয়। তখন তাকে জানানো হয় তার স্বামী ও মেয়ে আর নেই।
মঙ্গলবার সকালে আবদুল আউয়াল বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ মাঠে তৃতীয় ও নগরহাওলা গ্রামে ৪র্থ নামেজে জানাযা শেষে নিজ বাড়িতে তাদের মরদেহ দাফন করা হয় বাবা ও মেয়েকে।
বৈশাখী টেলিভিশনের সাংবাদিক আহমেদ ফসালের মরদেহ সোমবার রাত ৩টায় শরীয়তপুরের ডামুড্যা পৌরসভায় তার নিজ বাড়িতে পৌঁছায়।
সকাল ১০টায় ডামুড্যা উপজেলার পূর্ব মাদারীপুর কলেজ মাঠে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় অংশ নেন উপজেলা প্রশাসন, সাংবাদিক, বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সুশীল সমাজসহ সর্বস্তরের কয়েক হাজার মানুষ। জানাজা শেষে তার মরদেহ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।
গত ১২ মার্চ কাঠমাণ্ডুর ত্রিভুবন বিমানবন্দরে চারজন ক্রুসহ ৭১ জনকে নিয়ে ইউএস বাংলার ড্যাস ৮ কিউ ৪০০ বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। এতে ২৬ জন বাংলাদেশি, ২২ জন নেপালি ও একজন চীনা নাগরিক নিহত হন।