দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষে নদীতে ইলিশ শিকারে ব্যস্ত সময় পার করছেন চাঁদপুর ও ভোলার জেলেরা। পাইকার আর আড়ৎদারদের হাকডাকে জমজমাট হয়ে উঠেছে মাছের ঘাটগুলো।
এদিকে, সঠিক সময়ে খাদ্য সহায়তা আর জাটকা সুরক্ষায় প্রশাসনের তৎপরতা ইলিশ উৎপাদনে লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন, চাঁদপুর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা আসাদুল বাকী।
জাটকা নিধন প্রতিরোধ কার্যক্রম ২০১৮'র অংশ হিসেবে মার্চ ও এপ্রিল দুই মাস চাঁদপুরের মতলব উত্তর ষাট নল থেকে লক্ষ্মীপুরের চর আলেকজান্ডার পর্যন্ত পদ্মা ও মেঘনা নদীর ১০০ কিলোমিটার এলাকায় সব ধরণের মাছ ধরা নিষিদ্ধ ছিল।
নিষেধাজ্ঞা শেষে মঙ্গলবার ভোর থেকে ইলিশ শিকারে নেমে পড়েন জেলেরা। তারা জানান, উপার্জনের ব্যবস্থা না থাকা সত্ত্বেও নিষেধাজ্ঞার সময় মাছ শিকার করেননি তারা।
জেলা মৎস্য অফিসের তথ্য মতে, চাঁদপুরের হাইমচর, মতলব দক্ষিণ, মতলব উত্তর ও চাঁদপুর সদরে ৫১ হাজার ১৯০ জেলেকে সহায়তা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে কোস্ট গার্ড, নৌ পুলিশ ও জেলা প্রশাসনসহ মৎস্য বিভাগের যৌথ প্রচেষ্টায় জাটকা সুরক্ষা অভিযান পরিচালনা করায় ইলিশ উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন হবে বলে জানিয়েছেন জেলা মৎষ্য কর্মকর্তা।
এদিকে, ভোলা জেলায় ইলিশের অভয়াশ্রম হিসেবে মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীর ১৯০ কিলোমিটার এলাকাতেও ইলিশসহ সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ ছিলো। নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ায় এখন জেলেরা ইলিশ শিকারে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। প্রথম দিনে কাঙ্খিত ইলিশ শিকার করতে পরায় খুশি তারা।