রাঙামাটিতে উপজেলা চেয়ারম্যান শক্তিমান চাকমাসহ ছয় জনকে হত্যার ঘটনায় সেখানে থমথমে পরিস্থিতি রয়েছে। যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সেখানে বাড়ানো হয়েছে যৌথ বাহিনীর টহল।
এদিকে, মাইক্রবাস চালক হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার ও অপহৃত তিন বাঙালিকে উদ্ধারের দাবিতে খাগড়াছড়িতে ৭২ ঘণ্টার হরতাল পালন করছে পার্বত্য বাঙালি ছাত্র পরিষদ ও পার্বত্য নাগরিক পরিষদ।
রাঙামাটির নানিয়ারচর উপজেলা চেয়ারম্যান শক্তিমান চাকমা ও ইউপিডিএফ গণতান্ত্রিক এর ৪ সদস্যসহ ৬ হত্যার ঘটনায় রোববারও তিন পার্বত্য জেলায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। আতঙ্ক বিরাজ করছে নানিয়ারচর উপজেলায় মানুষের মাঝে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সেনা ও পুলিশের যৌথ টহল জোরদার করা হয়েছে।
তবে দুই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো মামলা দায়ের করা হয়নি।
এদিকে, মাইক্রোবাস চালক সজীব হোসেনের হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার ও অপহৃত তিন বাঙালিকে উদ্ধারের দাবিতে রোববার সকাল থেকে খাগড়াছড়ি জেলা হরতাল পালন করছে পার্বত্য বাঙালি ছাত্র পরিষদ ও পার্বত্য নাগরিক পরিষদ।
৭২ ঘণ্টার এ হরতালের কারণে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। দোকানপাট খোলেনি। হরতাল সমর্থকরা সদর উপজেলা পরিষদের সামনের সড়কে টায়ার পুড়িয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার বাসা থেকে কার্যালয়ে যাওয়ার সময় শক্তিমান চাকমাকে গুলি করে হত্যা করা হয়। পরদিন শুক্রবার তার শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে গুলিতে খুন হন এক সঙ্গে পাঁচজন।
স্থানীয়দের ধারণা, এই দুই হত্যার নেপথ্যে প্রতিপক্ষ গ্রুপ প্রসিত খীসার ইউপিডিএফ জড়িত রয়েছে।