কালবৈশাখীর ঝড়ে নীলফামারী ও নেত্রকোণায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঝড়ের সময় গাছ উপড়ে পড়ে মারা গেছেন ৮ জন।
আমাদের সংবাদদাতা জানিয়েছেন, ঝড়ে গাছচাপায় নীলফামারীতে মা ও শিশুসহ ৭ জন নিহত হয়েছে। এসময় অসংখ্য কাঁচা ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। উপড়ে গেছে অনেক গাছপালা। এছাড়াও শিলা বৃষ্টিতে ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এ সময় আহত হয়েছেন কয়েকজন।
নীলফামারী জেলার ডোমার, ডিমলা ও জলঢাকা উপজেলার ওপড় দিয়ে বয়ে যায় কালবৈশাখী ঝড়। ২০ মিনিট স্থায়ী এ ঝড়ের তাণ্ডবে এসব এলাকার অসংখ্য কাঁচা ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। উপড়ে গেছে অনেক গাছপালা।
ঝড়ের সময় জলঢাকা উপজেলার ধর্মপাল ইউনিয়নের খচিমাদা গ্রামে গাছ চাপা পড়ে সুমাইয়া নামের এক গৃহবধু ও তার তিন মাসের কন্যা সন্তান এবং মীরগঞ্জ ইউনিয়নের মীরগঞ্জ বাজারে আশিকুর রহমান নামের এক যুবক মারা যান।
এ সময় ডোমার উপজেলার কেতকিবাড়ী ইউনিয়নের বোতলগঞ্জের আবদার আলী, ভোগডাবুড়ি ইউনিয়নে জামিউল ইসলাম ও খোদেজা বেগম এবং গোমনাতী চৌরঙ্গী বাজাওে আব্দুল গনি গাছচাপায় মারা যান।
এদিকে, নেত্রকোণা সদর ও পূর্বধলা উপজেলায় কালবৈশাখীর ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে ৮০০ ঘরবাড়ি বিধ্বস্থ হয়েছে। গাছ চাপা পড়ে মারা গেছেন একজন। গাছপালা ভেঙ্গে পড়ায় পূর্বধলায় রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে। আর বিভিন্নস্থানে খুঁটি ভেঙ্গে বিদ্যুত সরবরাহ বন্ধ রয়েছে।