সাতক্ষীরা ও ময়মনসিংহের ভালুকায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ৩ জন নিহত হয়েছেন।
পুলিশের দাবি তারা দুজনই মাদক ব্যবসায়ী।
শনিবার গভীর রাতে জেলার সদর উপজেলার বাঁশদহা গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।
এ সময় ঘটনাস্থল থেকে একটি ওয়ান শুটার গান, ১ রাউন্ড গুলি ও মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে।
নিহতরা হলেন: বাঁশদহা গ্রামের আবদুল গনির ছেলে দেলোয়ার হোসেন (৪৫) ও জেলার কলারোয়া উপজেলার কেঁড়াগাছি গ্রামের আবুল কাসেমের ছেলে আবুল কালাম আজাদ (৪০)। তারা দুজনেই আন্তঃ জেলা মাদক ব্যবসায়ী বলে জানিয়েছে পুলিশ। তাদের বিরুদ্ধে কয়েকটি মামলাও রয়েছে।
সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মারুফ আহমেদ জানান, শনিবার বিকেলে মাদক ব্যবসায়ী দেলোয়ার ও আবুল কালামকে গাঁজা ও ফেনসিডিলসহ গোয়েন্দা পুলিশ বাঁশদহা বাজার থেকে আটক করে। রাতে জিজ্ঞাসাবাদের সময় তারা স্বীকার করে যে শনিবার রাতে মাদকের একটি বড় চালান ভারত থেকে আসবে। পরে তাদের নিয়ে মাদকের চালান উদ্ধারে যায় পুলিশ।
তিনি জানান, বাঁশদহার কয়ার বিল এলাকায় পৌঁছাতেই আগে থেকে ওৎ পেতে থাকা তাদের সহযোগিরা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে গুলি ছোঁড়ে । এ সময় পুলিশও পাল্টা গুলি ছোঁড়ে।
ওসি জানান, গোলাগুলির এক পর্যায়ে তাদের দুজনকে গুলিবিদ্ধ হয়ে পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরে গ্রামবাসীর সহায়তায় তাদের উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এদিকে, ময়মনসিংহের ভালুকায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।
গতকাল শনিবার রাতে উপজেলার উথুরা ইউনিয়নের হাইজ্যাকের মোড়ে কথিত এই বন্দুকযুদ্ধ হয়।
নিহত ব্যক্তির নাম মুরাদ আকন্দ (২৪)। তার বাড়ি ভালুকা উপজেলার মেদুয়ারী ইউনিয়নের বগাজান বাজার এলাকায়।
পুলিশের দাবি, উপজেলার ভরাডোবা-উথুরা সড়কে ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল একদল ডাকাত। তথ্য পেয়ে গতকাল দিবাগত রাত ২টার দিকে অভিযানে যায় ভালুকা মডেল থানার পুলিশের একটি দল। উপস্থিতি টের পেয়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল ও গুলি ছোড়ে ডাকাতেরা। পুলিশও পাল্টা গুলি ছোড়ে। একপর্যায়ে ডাকাতেরা পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থলে এক ব্যক্তিকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়।
উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে তাকে মৃত ঘোষণা করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক। পরে নিহত ব্যক্তির পরিচয় জানতে পারে পুলিশ।
ভালুকা মডেল থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ তালুকদার বলেন, নিহত মুরাদের নামে ভালুকা মডেল থানায় ছয়টি মামলা রয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে দেশীয় অস্ত্র ও গুলির খোসা উদ্ধার করা হয়েছে।