পবিত্র ঈদুল আজহার জামাতে নামাজ আদায় করেছেন সারাদেশের মুসল্লিরা।
দিনাজপুরের গোর এ শহীদ বড় ময়দানে দেশের সর্ববৃহৎ আর কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়ায় দ্বিতীয় বৃহত্তম ঈদ-জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
নামাজ শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করে দোয়া করা হয়।
এদিকে, যে কোনো অপ্রিতিকর ঘটনা এড়াতে ঈদগাহ এলাকায় আইন শৃঙ্খলাবাহিনী দায়িত্ব পালন করে।
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেশের সর্ববৃহৎ ঈদের জামাত হয়েছে দিনাজপুরের গোর এ শহীদ ঈদগাহ ময়দানে। সকাল ৯টায় অনুষ্ঠিত এ ঈদ জামাতে শরিক হতে দূর দূরান্ত থেকে আসেন মুসল্লিরা। ২২ একর জমি নিয়ে এ ঈদগাহ ময়দান দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বড় ঈদগাহ মাঠে সাড়ে ৩ লাখ মুসল্লি নামাজ আদায় করেন। নামাজে ইমামতি করেন আলহাজ্ব মোহাম্মদ শামসুল হক কাশেমী।
দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম ঈদ জামাত হয়েছে কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানে। সকাল ৯টায় অনুষ্ঠিত ঈদ জামাতে ইমামতি করেন শহরের মরকায মসজিদের ইমাম মাওলানা হিফজুর রহমান খান। ঈদগাহ এলাকায় কঠোর নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেয় প্রশাসন।
চট্টগ্রামে বৈরি আবহাওয়ার মধ্যে নগরীর দামপাড়া জমিয়াতুল ফালাহ মসজিদ ময়দানে ঈদের প্রধান জামাত হয়েছে। এছাড়াও নগরীর ১৬৫টি স্থানে ঈদ জামাতে নামাজ আদায় করেন মুসল্লিরা।
বরিশালে হেমায়েত উদ্দিন ঈদগাহ ময়দানে ঈদের প্রধান জামাত হয় সকাল ৮টায়। নবনির্বাচিত সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতারা এ মাঠে নামাজ আদায় করেন।
প্রাচীনতম ঈদগাহ হিসেবে পরিচিত সিলেটের শাহী ঈদগাহ ময়দানে লাখো মুসল্লি ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করেন। সকাল সাড়ে ৮টায় শুরু হওয়া এ জামাতে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত নামাজ আদায় করেন।
নড়াইলে কেন্দ্রীয় পৌর ঈদগাহ ময়দানে সকাল সাড়ে ৭টায় ঈদের জামাত হয়। এ মাঠে নামাজ আদায় করেন জাতীয় ক্রিকেট দলের ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা।
এছাড়া, নারায়ণগঞ্জ, নাটোর, নওগায়, সাতক্ষীরা, জামালপুর, কক্সবাজার, ভোলা, নেত্রকোনা, কুমিল্লা, গাজীপুর, রাজশাহী ও বগুড়া, ধামরাই ও খুলনায় ঈদের জামাত হয়েছে।