দেশের উত্তরাঞ্চলের বেশ কয়েকটি জেলায় বন্য পরিস্থিতির আরো অবনতি হয়েছে— যমুনা, ব্রহ্মপুত্র, তিস্তাসহ কয়েকটি নদীর পানি বেড়েই চলেছে একই সঙ্গে দেখা দিয়েছে নদী ভাঙন।
পাহাড়ি ঢল ও ভারী বর্ষণে জামালপুরে যমুনা নদীর পানি বেড়ে বিপদসীমার ৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
গাইবান্ধায় তিস্তা, যমুনা, ব্রহ্মপুত্র, ঘাঘটসহ সবকটি নদ-নদীর পানি বেড়েছে। কুড়িগ্রামে ব্রহ্মপুত্রের পানি বাড়লেও কমেছে ধরলা ও তিস্তার পানি। এসব এলাকার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন হাজার হাজার মানুষ। দুর্গত মানুষকে উদ্ধারের পাশাপাশি ত্রাণ তৎপরতা এখনো শুরু হয়নি।
উত্তরাঞ্চলে বিভিন্ন জেলায় নদ-নদীর পানি বেড়ে প্লাবিত হচ্ছে নিম্নাঞ্চল। গাইবান্ধায় তিস্তা, যমুনা, ব্রহ্মপুত্র, ঘাঘটসহ সবকটি নদ-নদীর পানি বেড়েছে।
বিপদসীমার ৭ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে বইছে ব্রহ্মপুত্রের পানি। প্লাবিত হয়েছে সুন্দরগঞ্জ, ফুলছড়ি, সাঘাটা ও গাইবান্ধা সদর উপজেলার নদী তীরবর্তী এলাকা।
গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনা নদীর পানি ৭ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপদসীমার ৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে বইছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, যমুনা নদীর পানি বাড়ায় ইসলামপুর উপজেলার নোয়ারপাড়া, চিনাডুলী, বেলগাছ, পাথর্শী ও কুলকান্দি ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন প্রায় ১৫ হাজার মানুষ। নদীর পানি অব্যাহত বৃদ্ধি পাওয়ায় আশপাশের এলাকায় পানি ঢুকছে। প্লাবিত হচ্ছে বাড়িঘর ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
কুড়িগ্রামে ব্রহ্মপুত্রের পানি বাড়লেও কিছুটা কমেছে ধরলা ও তিস্তার পানি। বিভিন্ন জায়গায় দেখা দিয়েছে নদী-ভাঙন।
তিস্তার অববাহিকায় রাজারহাট উপজেলার বিদ্যানন্দ ও কালিরহাট গ্রাম এবং ধরলার অববাহিকায় ভোগডাগঙ্গা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় ভাঙন দেখা দিয়েছে। নদীভাঙন দেখা দিয়েছে উলিপুর, রৌমারী ও রাজিবপুর উপজেলাতেও।