লালমনিরহাটের হাতিবান্ধা এবং পাটগ্রামের দুর্গম চরাঞ্চল ও সীমান্তে গত পাঁচ মাসে পুলিশ ও র্যাব অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করেছে সন্দেহভাজন ১৫ জঙ্গিকে। উদ্ধার করা হয়েছে বিপুল সংখ্যক অস্ত্র ও জিহাদী বই।
আমাদের সংবাদদাতা জানিয়েছেন, সীমান্তবর্তী জেলা লালমনিরহাটের পাটগ্রাম ও হাতিবান্ধার প্রত্যন্ত অঞ্চলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে দফায় দফায় ধরা পরেছে জেএমবিসহ বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠনের অভিযুক্ত সদস্যরা। গত ২ আগস্ট পাটগ্রামে র্যাবের অভিযানে ধরা পড়েন জেএমবি'এর জেলা আমির ফজলে রাব্বি ওরফে রাব্বু, জেএমবি সদস্য শাহীন ইসলাম ও হাসান মাসুদ।
এছাড়া ৮ আগষ্ট একই এলাকা থেকে আটক করা হয় জঙ্গি আপেল মিস্ত্রি, জাহিদ হোসেন, শফিকুল ইসলাম ও মোখলেচুর রহমানকে। ১৫ আগস্ট পাটগ্রাম চৌরাঙ্গি মোড় এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান থেকে গ্রেপ্তার হয় জঙ্গি তালিম প্রধান ও জেএমবি'র দাওয়াতে আমির সাইদুজ্জামান বাবু, ওরফে আমির হামজা।
গত পাঁচ মাসে র্যাব ও পুলিশ ১৫ জন সন্দেহভাজন জঙ্গি সদস্যকে গ্রেপ্তার করে। এ সময় তাদের কাছ থেকে দেশি-বিদেশি আগ্নেয়োস্ত্র, তাজা গুলি, ম্যাগজিন, জিহাদী বই ও জঙ্গিবাদী লিফলেটও উদ্ধার করা হয়।
এসব এলাকায় জঙ্গি তৎপরতা বৃদ্ধি ও এর সক্রিয় সদস্যদের গ্রেপ্তারের ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।
লালমনিরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য মোতাহের হোসেন বলেন, জঙ্গি নির্মুলে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগেই জেলার জঙ্গি দমনে আইন শৃঙ্খলা-বাহিনীর তৎপরতা আরো বাড়ানোর দাবি এলাকাবাসীর।