চট্টগ্রামে অসংখ্য ভক্ত, অনুরাগীসহ সর্বস্তরের জনতার শ্রদ্ধা-ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন কিংবদন্তীর ব্যান্ড সংগীত শিল্পী আইয়ুব বাচ্চু। বাদ আসর চট্টগ্রামের জমিয়তুল ফালাহ মসজিদ মাঠে শেষ জানাজার পর সন্ধ্যায় মায়ের কবরের পাশে দাফন করা হয় তাকে।
প্রিয় শিল্পীকে একনজর দেখতে চট্টগ্রামের পূর্ব মাদারবাড়িতে এই জনস্রোত। রাজধানীর মতো আইয়ুব বাচ্চুর নিজ শহর চট্টগ্রামেও তাকে দেখতে ভীড় জমান হাজার হাজার মানুষ।
শুক্রবার রাত ১টার দিকে আইয়ুব বাচ্চুর ছেলে আহনাফ তাজওয়ার কানাডা থেকে এবং মেয়ে ফাইরুজ সাফরা অস্ট্রেলিয়া থেকে দেশে ফেরার পর শনিবার সকালে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম নেওয়া হয় আইয়ুব বাচ্চুর মরদেহ। সকাল ১১ টায় চট্টগ্রামের শাহ আমানত বিমানবন্দরে নিয়ে যাওয়া হয় দেশের ব্যান্ড সংগীতের উজ্জ্বল এ নক্ষত্রকে।
সেখানে মরেদহ গ্রহণ করেন সিটি মেয়র আ জ ম নাসির। এ সময় আইয়ুব বাচ্চুর পরিবারের সদস্য, সহশিল্পী, শুভাকাঙ্খি ও ভক্ত- অনুরাগিরা উপস্থিত ছিলেন। বেলা ১২ টায় মরদেহ নেওয়া হয় পূর্ব মাদারবাড়ির নানার বাড়িতে। সেখানে ভীড় জমান অসংখ্য মানুষ। পরিবারের সদস্যরা আইয়ুব বাচ্চুর জন্য সকলের কাছে দোয়া চান।
বিকেল ৩টায় তার মরদেহ রাখা হয় জমিয়তুর ফালাহ জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে। সেখানে শেষবারের মতো তাকে শ্রদ্ধা জানানো হয়।
বাদ আসর সেখানে নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয় এই শিল্পীর। পরে চৈতন্য গলি কবরস্থানে মায়ের পাশেই দাফন করা হয় এলআরবি'র লিড গিটারিস্ট ও ভোকালিস্টকে।
গত বৃহস্পতিবার ঢাকায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান 'গীটারের জাদুকর' খ্যাত আইয়ুব বাচ্চু। তিনি ছিলেন একাধারে গীতিকার, সুরকার ও প্লেব্যাক শিল্পী। বাংলাদেশের তরুণদের গিটারের মুর্ছনায় মাতিয়ে রেখেছেন প্রায় চার দশক ধরে।