বিএনপিকে নির্বাচন থেকে সরিয়ে দেয়াই সরকারের উদ্দেশ্য বলে মন্তব্য করে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ভয় না পেয়ে জনগণকে নিজেদের অধিকার আদায় করে নেয়ার আহবান জানান।
শনিবার সকালে বগুরা-৬ আসনের প্রার্থী মির্জা ফখরুল শহরের পৌর পার্কের উড বার্ন মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।
সরকার ভয়-ভীতি দেখিয়ে জনগণকে ভোটকেন্দ্রে যাওয়া থেকে বিরত রাখতে চায় বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
সরকারের উদ্দেশ্য ভয়ভীতির অভিযোগ তুলে বিএনপির এই নেতা বলেন, হামলা-মামলা করে বিএনপিকে নির্বাচনী মাঠ থেকে সরিয়ে দেয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে। কিন্তু সরকারের এই উদ্দেশ্য কখনো সফল হবে না। দেশে আজ চরম ভয়াবহ অবস্থা বিরাজ করছে। স্বাধীনতার পতাকা উত্তোলনকারী আ. স. ম রবের ওপর হামলা করা হয়েছে। সংবিধান প্রণেতা ড. কামাল হোসেনও হামলার হাত থেকে রেহাই পাননি।
ফখরুল বলেন, নির্বাচন কমিশন সরকারের বাইরে গিয়ে কাজ করতে পারছে না।
তিনি আরো বলেন, বিএনপির নেতাকর্মীদের নামে গায়েবি মামলার তালিকা চাইলো নির্বাচন কমিশন সেই তালিকা দেয়া হলো। কিন্তু কোনো কাজ হলো না। উল্টো মামলা-হামলা বেড়েই চলছে। প্রতিদিন দলের নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। এতো কিছুর পরও জনগণকে সঙ্গে নিয়ে বিএনপি নির্বাচনে থাকবে। কারণ বিএনপি মনে করে জনগণই সব ক্ষমতার উৎস।
এ সময় সরকারি সংস্থা বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নির্বাচন কমিশনের কোনো নির্দেশনা মানছে না বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
সরকার রাষ্ট্রীয় যন্ত্র ব্যবহারের মাধ্যমে বিরোধীদের নির্যাতন করছে বলে অভিযোগ করে বিএনপির মহাসচিব বলেন, আমরা জনগণকে সঙ্গে নিয়ে নির্বাচনী মাঠে আছি শেষ পর্যন্ত থাকবো। সরকার আবারো একতরফা নির্বাচন করতে চায় কিন্তু সরকারকে এবার সেই সুযোগ দেয়া হবে না।