সবাইকে কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন সৎ ও আদর্শের প্রতীক রাজনীতিবিদ সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। গণমাধ্যমে তার মৃত্যু সংবাদ প্রচারের সাথে সাথে কিশোরগঞ্জে শোকের ছায়া নেমে আসে। সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের মৃত্যুতে শোকে স্তব্ধ হয়ে পড়েছে পুরো কিশোরগঞ্জবাসী।
সৈয়দ আশরাফের পৈতৃকবাড়ি যশোদলের বীরদামপাড়া গ্রামের শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজন ও এলাকাবাসী সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের অকালপ্রয়াণ মেনে নিতে পারছেন না।
এলাকায় সৎ আদর্শবান ও পরিচ্ছন্ন রাজনৈতিক নেতা হিসেবে পরিচিতি ছিলেন সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। এলাকাবাসী তাকে একেবারেই কাছে পেয়েছে। বাড়িতে এলে স্বজন ও এলাকাবাসীর খোঁজ নিতেন তিনি। সৈয়দ আশরাফকে নিয়ে এলাকাবাসী গর্বিত ছিল। সৈয়দ আশরাফের এভাবে চলা যাওয়াকে কেউ মেনে নিতে পারছেন না।
বেশ কয়েক মাস ধরেই থাইল্যান্ডে চিকিৎসাধীন ছিলেন সৈয়দ আশরাফ। চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থাতেই একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কিশোরগঞ্জ-১ (সদর-হোসেনপুর) আসন থেকে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন দেয়া হয় তাকে। অনুপস্থিতিতেই বিপুল ভোটে জয় লাভ করেন তিনি। তার মৃত্যুতে শুধু দলীয় নেতাকর্মী-সমর্থকরাই নন, সাধারণ মানুষও শোকে মুহ্যমান। প্রিয় অভিভাবককে হারানোর বেদনা সবার মাঝে।
সবার একটাই কথা সৈয়দ আশরাফের শূন্যতা সহজে পূরণ হবার নয়। এ ক্ষতি অপূরণীয়। হয়তো কোনোদিন পূরণ হবার নয়।