ঢাকা থেকে দুবাইগামী বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি বিমান ছিনতাইয়েরে কবলে পড়ে চট্টগ্রামে জরুরি অবতরণ করে। পরে সন্ধ্যায় সাড়ে ৭টার দিকে সেনাবাহিনীর প্যারাকমান্ডো বিমানটি নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে।
আইএসপিআর থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। জিম্মিকারী অস্ত্রধারী একজনকে নামিয়ে আনা হয়েছে।
এর আগে ভেতরে অনাকাঙ্খিত ঘটনার শঙ্কায় বিমানটি ঘিরে রাখে পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।
বিমানটিতে ১৪২ জন যাত্রী ছিল, ৫ জন কেবিন ক্রু ও ২ জন ককপিট ক্রু ছিলেন।
নিরাপদে যাত্রীদের নামিয়ে আনা হয়। চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সব কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছে। সেখানে রয়েছে ফায়ার সার্ভিসসহ বিভিন্ন সংস্থার সদস্য।
জানা গেছে, অস্ত্রসহ এক ছিনতাইকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
ময়ূরপঙ্খী উড়োজাহাজটি বোয়িং-৭৩৭ মডেলের। ১৪২ জন যাত্রী ও পাঁচজন ক্রু নিয়ে বিজি-১৪৭ ফ্লাইটটি ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম হয়ে দুবাই যাচ্ছিল।
সন্ধ্যায় বিমানবন্দর কর্মকর্তা শাহজালাল বলেন, ৬ থেকে ৭ জন ছিল, বিমানের পেছনের দরজা দিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিল তারমধ্যে একজনকে ধরা হয়েছে। ৪ জন আহত হয় তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ভেতরে দুইজন কেবিন ক্রু আছেন তাদের বের করে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে, বিমানের পাইলটরা পাশের দরজা দিয়ে বের হয়ে আসতে সক্ষম হন।
বিমানের ভেতরে থাকা এক যাত্রীর সূত্রে জানা গেছে, বিকেল তিনটা ২০ মিনিটে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের দিকে যাত্রা করে। সেখান থেকে উড়োজাহাজটির দুবাই যাওয়ার কথা ছিল। চট্টগ্রামের শাহ আমানত বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর উড়োজাহাজটি থেকে যাত্রীদের নামিয়ে দেয়া হয়।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল জানান, যতটুকু জানা গেছে, একজন সন্দেহভাজন পাইলটের মাথায় অস্ত্র ঠেকিয়ে ছিল। তবে সব যাত্রী নেমে গেছে। পাইলটও নেমেছে। এটা নিশ্চিত যে একজন সন্দেহভাজন বিমানটির ভেতরে এখনও অবস্থান করছে। প্রকৃত ঘটনা কী, তা জানার চেষ্টা করা হচ্ছে।
যাত্রীদের নিরাপদে বের করে আনা হয়েছে বলে জানান বিমানের মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) শাকিল মিরাজ।
শাহ আমানতে বিমানের স্টেশন ম্যানেজার মাহফুজুল আলম বলেন, বিমানটি ছিনতাইয়ের শিকার হয়েছিল।
বিমান সচিব মো. মহিবুল হক বলেন, ভেতরে সন্দেহভাজন ও ২ জন ক্রু ছিল। সেনা অভিযানে তাদের বের করে আনা হয়েছে।