ঢাকা থেকে দুবাইগামী বাংলাদেশ বিমানের ‘ময়ূরপঙ্খি’উড়োজাহাজ ছিনতাইয়ের চেষ্টাকারী নিহত মাহাদি ওরফে মাজিদুল ওরফে পলাশ আহমেদের দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
মঙ্গলবার সকাল ৯টার দিকে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের পিরোজপুরের দুধঘাটায় নিজ বাড়ির পাশে তাকে দাফন করা হয়।
সোমবার রাতে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে গিয়ে মরদেহ শনাক্ত করেন নিহত পলাশের বাবা পিয়ার জাহান। শনাক্তের পর যাচাই বাছাই শেষে মরদেহ গ্রহণ করেন তিনি। পরে মরদেহ নিয়ে রাতেই নারায়ণগঞ্জের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন পলাশের বাবা।
এর আগে দুপুরে ময়না তদন্ত শেষে পিয়ালের মরদেহ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছিল।
পলাশের বাবা পিয়ার জাহান বলেন, পলাশ আহমেদের মরদেহ গ্রহণ করার আমার কোনো ইচ্ছে ছিল না। প্রশাসন ডাকায় সোমবার রাতে মরদেহ নিতে চট্টগ্রামে যাই। পরে পতেঙ্গা পুলিশের কাছ থেকে মরদেহ নিয়ে মঙ্গলবার সকালে নারায়ণগঞ্জে পৌঁছাই। সকাল ৯টার দিকে তাকে দাফন করা হয়।
গত ২৪ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি বিমান ছিনতাইয়ের চেষ্টা করে পলাশ আহমেদ। সেনা বাহিনীর সদস্যরা কমান্ডো অভিযানে তাকে আহত অবস্থায় গ্রেপ্তার করে। পরবর্তীতে পলাশ নিহত হন।