রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলায় উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শেষে ফেরার পথে সোমবার সন্ধ্যায় দুর্বৃত্তের গুলিতে প্রিজাইডিং কর্মকর্তাসহ মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৮ জন হয়েছে।
এক প্রিসাইডিং অফিসার, এক পোলিং অফিসার ও আনসার ভিডিপির একনারী সদস্য রয়েছেন বলে জানা গেছে।
তারা হলেন: বাঘাইছড়ির সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ও শিক্ষক মো. তৈয়ব আলী, কিশলয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও পোলিং অফিসার আমির হোসেন, আনসার ভিডিপির সদস্য আলামিন, মিহির কান্তি দত্ত, জাহানারা বেগম ও বিলকিস এবং চাঁদের গাড়ির হেলপার মন্টু চাকমা।
এ ঘটনায় ১১ জন গুলিবিদ্ধসহ আহত হয়েছেন কমপক্ষে ২৫ জন।
তারা সবাই ভোট শেষে ব্যালট বক্স সরঞ্জাম নিয়ে ফিরছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশের উদ্ধৃতি দিয়ে আমাদের সংবাদদাতা জানিয়েছেন, উপজেলা নির্বাচন শেষে সন্ধ্যায় বাঘাইছড়ির কংলাক, মাথালং ও বাঘাইহাট নামক ৩টি ভোট কেন্দ্র থেকে উপজেলা সদরে ফিরছিলেন তারা।
‘নয় কিলোমিটার' নামক স্থানে পৌঁছালে পাশের পাহাড় থেকে দুর্বৃত্তরা তাদের ওপর নির্বিচারে গুলি বর্ষণ করে। এতে ঘটনাস্থলেই ৬ জন নিহত হন। আহত হন আরো ২৫ জন।
রাতে সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে হেলিকপ্টারে করে গুলিবিদ্ধ ১১ জনকে চট্টগ্রাম সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে নেয়া পথে তৈয়ব আলী নামে আরেক ভোটকর্মী মারা যান।
এ ঘটনার পর রাঙামাটিসহ পুরো পার্বত্য চট্টগ্রামে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। বিভিন্ন এলাকায় নিরাপত্তা টহল বাড়ানো হয়েছে।