সারাদেশে যথাযথ মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পালিত হচ্ছে স্বাধীনতা দিবস। সূর্য উদয়ের সঙ্গে সঙ্গে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে শুরু হয় এ দিবসের আনুষ্ঠানিকতা। এর মধ্যে তোপধ্বণী, শহীদ বেদীতে শ্রদ্ধার্ঘ অর্পন, শোভাযাত্রা, কুচকাওয়াজ, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অন্যতম।
সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদমুক্ত এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় অসাম্প্রদায়িক দেশ গড়ার অঙ্গীকার এবং ৭১'র গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির দাবির মধ্য দিয়ে খুলনায় পালিত হচ্ছে স্বাধীনতা দিবস। দিবসের প্রথম প্রহরে গল্লামারী শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে একাত্তরের শহীদদের শ্রদ্ধা জানান বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ।
গাজীপুর শহরের শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে ৩১ বার তোপধ্বনির মধ্য দিয়ে দিনের কর্মসূচি শুরু হয়। পরে শহীদদের প্রতি জানানো হয় শ্রদ্ধা। শহীদ বরকত স্টেডিয়ামে স্বাধীনতা দিবসের কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়।
নাটোরেও তোপধ্বনির মধ্য দিয়ে শুরু হয় দিবসের আনুষ্ঠানিকতা। শহরের মাদ্রাসা মোড়ে স্বাধীনতা স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধা জানানো হয়। এছাড়া জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও কুচকাওয়াজ হয়।
৩১ বার তোপধ্বনির মধ্য দিয়ে দিবসের সূচনা হয় মৌলভীবাজারে। জেলার কেন্দ্রীয় স্মৃতিস্তম্ভ এবং গণকবরে শহীদদের জানানো হয় শ্রদ্ধা। দিবসটি উপলক্ষে সাইকেল শোভাযাত্রা করেছে মৌলভীবাজার সাইক্লিং কমিউনিটি।
রাজবাড়ি স্টেডিয়ামে তোপধ্বনির পর কুচকাওয়াজ ও ডিসপ্লে হয়। এছাড়াও শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিসম্তম্ভে শহীদদের শ্রদ্ধা জানায় বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন।
শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা, কুচকাওয়াজ, ডিসপ্লে ও মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনার মধ্য দিয়ে স্বাধীনতা দিবস পালিত হচ্ছে পঞ্চগড়েও।
সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে শেরপুরে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভে শহীদদের শ্রদ্ধা জানানো হয়। নড়াইলেও ৩১ বার তোপধ্বনির মধ্য দিয়ে স্বাধীনতা দিবসের কর্মসূচী শুরু হয়। এছাড়া দিনব্যাপী নানা অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে জেলার বিভিন্ন স্থানে পালিত হচ্ছে দিবসটি।
কুমিল্লা, চাঁদপুর, যশোর, মাগুড়া, ময়মনসিংহ, কুষ্টিয়া, নেত্রকোণা, শেরপুর, গাজীপুরসহ সারাদেশে নানা কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে শহীদদের স্মরণ করছে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ।