রাজধানীর বনানীর এফআর টাওয়ারের আগুনে আহত হয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে পাঠানো হলেও বাঁচানো যায়নি ফায়ারম্যান সোহেল রানাকে।
গতকাল রাতেই তার মরদেহ ঢাকায় পৌঁছায়। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সদরদপ্তরে আজ-মঙ্গলবার শেষ শ্রদ্ধা জানানো হয় এই অকুতোভয় উদ্ধারকর্মীকে। পরে কিশোরগঞ্জের ইটনায় তার নিজ গ্রাম কেওরুলায় বাদ আসর নামাজে জানাজা শেষে তাকে দাফন করা হয়েছে।
রাজধানীর বনানীর এফআর টাওয়ারে গত ২৮ মার্চের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় উদ্ধারকাজ চালাতে গিয়ে গুরুতর আহত হন ফায়ার সার্ভিস কর্মী সোহেল রানা। উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার সেখানেই মারা যান তিনি।
নিজের জীবনকে তুচ্ছ করে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে ফায়র সার্ভিসের এই কর্মীর মৃত্যুতে শোকাহত কিশোরগঞ্জের ইটনায় তার নিজ গ্রাম কেওরুলা গ্রামের মানুষ। শোকস্তব্ধ ছায়া সোহেল স্বজনরা।
সোহেল রানার মরদেহ সোমবার রাতে ঢাকা পৌঁছায়। রাত ১১টার দিকে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে সোহেল রানার মরদেহবাহী ফ্লাইটটি। এ সময় ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও তার পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। মঙ্গলবার বেলা ১১টায় তার মৃতদেহ ঢাকার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সদর দপ্তরে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তার প্রথম নামাজে জানাজা হয়।
জানাজা শেষে তার মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে কিশোরগঞ্জে নিজ গ্রামে নিয়ে যাওয়া হয় সোহেল রানার মরদেহ।
সেখানে কেওরুলা গ্রামের স্থানীয় একটি ঈদগায় বাদ আসর তার দ্বিতীয় নামাজের জানাজা হয়। পরে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয় ফায়ার সার্ভিসের কর্মী সোহেল রানাকে।