দক্ষিণাঞ্চলে বইছে হালকা ও মাঝারি শৈত প্রবাহ। ফলে শিশুদের ডায়রিয়া ও শ্বাস কষ্টজনিত নিউমোনিয়া রোগ প্রকট আকার ধারণ করেছে। আর ভর্তির জন্য হাসপাতালের ধারণ ক্ষমতার অতিরিক্ত রোগী আসায় বর্হি: বিভাগের সেবা নিয়ে ফিরে যেতে হচ্ছে আক্রান্ত শিশুদের।
আক্রান্ত শিশুদের প্রায় ৯০ ভাগই শীত জনিত রোগে ভুগছে। গত চারদিনে ঠান্ডা বেড়ে যাওয়ায় সব রোগীই নিউমোনিয়া ও ডায়রিয়া আক্রান্ত হচ্ছে বলে জানান খুলনার শিশু হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ কামরুজ্জামান।
একটু ভালো চিকিৎসার আশায় দক্ষিণাঞ্চলের দশ জেলার শিশুদের শেষ আশ্রয়স্থল খুলনার ২শ ৫০ শয্যার শিশু হাসপাতাল। এই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে ২শ ৮০ জন শিশু। প্রতিদিন এই হাসপাতালে সেবা নিতে আসছে ৫ থেকে ৭ শত শিশু। তবে স্থান সংকুলানের অভাবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নতুন রোগী ভর্তি করতে পারছে না।
হালকা ও মাঝারি শৈত প্রবাহের কারণে রোগীর সংখ্যা বৃদ্বি পাওয়ায় সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছে সেবিকারাও। তবে ভর্তিকৃত ও বহি:বিভাগে রোগীদের চিকিৎসা করাতে পেরে সন্তোষ প্রকাশ করেন রোগীর অভিভাবকরা।
হাসপাতালে রোগীর জন্য মাত্র ২৭০টি শয্যা রয়েছে। আর প্রতিদিন ৫শ থেকে ৭শ রোগীর ভর্তি করা কর্তৃপক্ষের সম্ভব নয়। তাই বর্হি: বিভাগের মাধ্যমে রোগীর চিকিৎসা সেবা দিচ্ছেন তারা।
খুলনা শিশু হাসপাতালের সকল সমস্যা সমাধানের লক্ষে সরকার এগিয়ে আসবে ও এ অঞ্চলের শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা মিলবে এমনটা প্রত্যাশা দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের।