প্রায় ৯ বছর আগে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় স্কুলছাত্র মো. ইমনকে হত্যা করা হয়েছিল। চাঞ্চল্যকর সেই ঘটনায় দায়ের করা মামলার রায় দিয়েছেন আদালত। ১৪ জন স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্য শেষে আজ রোববার (২০ মার্চ) ৪ জনের ফাঁসির আদেশ দেয়া হয়েছে। এছাড়া ২ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ৪ জন খালাস পেয়েছেন।
অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ সাবিনা ইয়াসমিনের আদালত আজ রোববার দুপুরে এ রায় ঘোষণা করেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- ফতুল্লার বক্তাবলী ইউনিয়নের কানাইনগর এলাকার আমান উল্লাহর ছেলে নাহিদ, আহম্মদের ছেলে সেন্টু মিয়া, আবদুস সামাদের ছেলে সিরাজ এবং আহম্মদ আলী।
এছাড়া যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- সিরাজুল ইসলাম সিরাজের স্ত্রী সালমা এবং আহমেদের স্ত্রী হোসনে আরা।
প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালের জুন মাসে শিশু ইমন বাসা থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হয়। এর ৬ দিন পর পরিত্যক্ত একটি জায়গা থেকে তার ৯ টুকরা মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
মরদহ উদ্ধারের পরপরই একটি মামলা দায়ের করেন ইমনের বাবা মো. ইসমাইল। মামলার এজাহারে বলা হয়, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ইমনকে হত্যা করা হয়েছে। পরে তার মরদেহ খণ্ড খণ্ড করে পরিত্যক্ত জায়গায় ফেলে রাখে আসামিরা।