বড় বোনের জানাজা নামাজে অংশ নিতে চেয়েছিলেন রমজান আলী (৪৫)। কিন্তু নিজেই লাশ হয়ে ফিরলেন তিনি। বরিশালের উজিরপুরে বাস দুর্ঘটনায় নিহত ১১ জনের মধ্যে তিনিও একজন। রোববার সকাল ১০টায় জানাজায় অংশ নেওয়ার কথা ছিল তার। কিন্তু ভোর সাড়ে পাঁচটায় উজিরপুরে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের বামরাইল ইউনিয়নের সানুহার নামক স্থানে বাস দুর্ঘটনায় মারা যান রমজান আলী।
নিহত রমজান আলী সাভারের একটি প্রতিষ্ঠানে সিকিউরিটি গার্ডের চাকরী করতেন। তার মেয়ে জামাই মেহেদী হাসান সজল জানান, আমার শশুর ঢাকা সাভারে একটি গার্মেন্টসে সিকিউরিটি গার্ড হিসাবে কর্মরত ছিলেন। বাকেরগঞ্জ উপজেলার দুদলকাঠী ইউনিয়নে সুন্দরকাঠী গ্রামে অসুস্থজনিত কারণে মৃত বোনের জানাজায় অংশগ্রহণ করার জন্য আসছিলেন।
নিহত রমজান আলীর বাড়িও বাকেরগঞ্জ উপজেলার দুদলকাঠী ইউনিয়নে বলে জানান রমজানের মেয়ে জামাই মেহেদী হাসান সজল।
এদিকে বামরাইলে বাস দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে রমজান আলীসহ ছয় জনের পরিচয় পাওয়া গেছে। বাকিরা হলেন- ঝালকাঠি সদর উপজেলার নৈকাঠী গ্রামের আরাফাত হোসেন (৯), পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার নুরুল ইসলাম আকন (৩৫), একই উপজেলার রাকিব আকনের স্ত্রী আনোয়ারা বেগম (৩২), বরগুনার বেতাগী উপজেলার কাদিরাবাদ গ্রামের হালিম মিয়া (৩১), ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার আওলাদ মোল্লার ছেলে সান্টু মোল্লা (৫০)।