পানির প্রবাহ অব্যাহত থাকায় কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার বন্যা পরিস্থিতির কোনো উন্নতি হচ্ছে না। গত কয়েক দিনে রৌমারী সদর, শৌলমারী, দাঁতভাঙ্গা ও যাদুরচর ইউনিয়নের প্রায় ৫০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন।
রান্না করতে না পারায় অনেকে শুকনো খাবার খেয়ে আছেন। অনেকে খাটের ওপর চুলা তুলে কোনো রকমে রান্না করছেন। অনেকের আত্মীয়-স্বজন রান্না খাবার নিয়ে বন্যার্তদের পাশে দাঁড়িয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৪ জুন) সকালে রৌমারী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আজিজুর রহমান বলেন, ‘পানিবন্দি মানুষের জন্য ৩ লাখ টাকার শুকনো খাবার প্রস্তুত করা হয়েছে। সেগুলো আজ বিতরণ করা হবে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে পানিবন্দি মানুষের তালিকা পাওয়া গেছে এবং শিগগিরই তাদেরকে প্রয়োজনীয় ত্রাণ সহায়তা দেওয়া হবে।’
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে ১৪৭ হেক্টর জমির ধান, ২২৩ হেক্টর জমির পাট, ৪৯ হেক্টর জমির তিল ও ৭৩ হেক্টর জমির শাকসবজির ক্ষেত
নদ-নদীর পানি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে ভাঙনের তীব্রতাও। যাদুরচর ইউনিয়নের অসংখ্য বসতবাড়ি এরই মধ্যে জিঞ্জিরাম নদীর গর্ভে বিলীন হয়েছে। বাধ্য হয়ে অনেকেই গাছপালা কেটে বসতবাড়ি সরিয়ে নিচ্ছেন।