জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মহাসড়কে (ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ে) টোল আদায়ে ধীরগতি দেখা গেছে। টোল প্লাজার সবগুলো বুথ চালু না হওয়ায় ফরিদপুরের ভাঙ্গায় যানবাহনের দীর্ঘ জট তৈরি হয়েছে।
ফরিদপুর প্রান্তে ভাঙ্গার বগাইল টোল প্লাজা এলাকায় শুক্রবার (১ জুলাই) সকালে দুই কিলোমিটারের মতো এলাকাজুড়ে যানবাহনের সারি তৈরি হয়।
বাসের চালকেরা বলছেন, ‘পদ্মা সেতু চালুর পর গত দুই-তিন দিন এক ঘণ্টা ১০ মিনিটে ঢাকায় পৌঁছেছি। আজকে থেকে এখানে আবার টোল চালু হওয়ার কারণে জ্যামে আটকে আছি দেড় ঘণ্টার বেশি সময় ধরে। এখনো সামনে একশর বেশি গাড়ি আছে।’
বগাইল টোল প্লাজার উপব্যবস্থাপক দেলোয়ার হোসেন বলেন, এখানে ১০টি বুথের মধ্যে ৪টি সচল রয়েছে। এ ছাড়া শুক্রবার হওয়ায় ব্যক্তিগত গাড়ির চাপ বেশি থাকায় অল্পসংখ্যক টোল আদায় বুথ দিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে।
সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে মালামাল পরিবহণকারী ট্রেইলারের জন্য সর্বোচ্চ ১৬৯০ টাকা টোল দিতে হচ্ছে। আর সর্বনিম্ন টোল ৩০ টাকা ধরা হয়েছে মোটরসাইকেলের জন্য।
এ ছাড়া বড় ট্রাক ১১০০ টাকা, মাঝারি ট্রাক ৫৫০ টাকা, বড় বাস ৪৯৫ টাকা, ছোট ট্রাক ৪১৫ টাকা, মিনিবাস বা কোস্টার ২৭৫ টাকা, মাইক্রোবাস ২২০ টাকা, ফোর হুইলার যানবাহনের জন্য ২২০ টাকা ও সেডান কার বা প্রাইভেটকারের জন্য ১৪০ টাকা টোল নির্ধারণ করা হয়েছে।