বিদ্যুৎ কর্মকর্তা মোহাম্মদ হোসেন হিমেলের (২৯) মরদেহ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল। মঙ্গলবার (১৯ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম অলওয়েদার সড়কের ভাতশালা সেতুর আগে একটি বক্স কালভার্টের কাছ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
কিশোরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার আবুজর গিফারী মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।
মোহাম্মদ হোসেন নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার চর জব্বার ইউনিয়নের চর হাসান গ্রামের নুর মোহাম্মদের ছেলে। তিনি আরবি সাহিত্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শেষ করে তিন মাস আগে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিতে যোগদান করেন। তিনি কিশোরগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মিঠামইন জোনাল অফিসের সহকারী এনফোর্সমেন্ট কোঅর্ডিনেটর (এইসি) হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এছাড়া তিনি শুক্রবার (১৫ জুলাই) বিয়ে করেছেন। ঈদ ও বিয়ের ছুটি শেষে রোববার (১৭ জুলাই) কর্মস্থলে যোগদান করেন হিমেল।
জানা যায়, মোহাম্মদ হোসেন সোমবার (১৮ জুলাই) বিকেলে ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম অলওয়েদার সড়কের ভাতশালা সেতুর আগে একটি বক্স কালভার্টের নিচে ঝাঁপি জাল নিয়ে মাছ ধরতে যান। এ সময় হাতের কবজিতে বাঁধা জাল পানিতে ফেললে স্রোতের টানে জালসহ হাওরের পানিতে তলিয়ে যান তিনি। পরে কিশোরগঞ্জ থেকে ফায়ার সার্ভিসের চার সদস্যের একটি ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে মঙ্গলবার তার মরদেহ উদ্ধার করে।
কিশোরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার আবুজর গিফারী গণমাধ্যমকে বলেন, সোমবার (১৮ জুলাই) সন্ধ্যার দিকে আমরা নিখোঁজের খবর পাই। খবর পেয়ে কিশোরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের চার সদস্যের একটি ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার অভিযান চালিয়ে মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম অলওয়েদার সড়কের ভাতশালা সেতুর আগে একটি বক্স কালভার্টের কাছ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে।