পৃথক ঘটনায় মাগুরায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার লাবনী আক্তারের ঝুলন্ত লাশ এবং পুলিশ কনস্টেবল মাহমুদুল হাসানের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২১ জুলাই) সকালে মাগুরা শ্রীপুর উপজেলার সারঙ্গদিয়া গ্রামে নানার বাড়ি থেকে খুলনা মেট্রোপলিটনের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার লাবনী আক্তারের ওড়না পেঁচানো লাশ এবং মাগুরা পুলিশ লাইন্স ব্যারাকের ছাদ থেকে কনস্টেবলের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে মাগুরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কামরুল হাসান জানান, রাতের ডিউটি থেকে ফিরে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে নিজ নামে ইস্যু করা অস্ত্র দিয়ে মাথায় গুলি করে আত্মহত্যা করেছেন মাহমুদুল হাসান।
মাহমুদুল হাসানের বাড়ি কুষ্টিয়া দৌলতপুর উপজেলায়। তিনি দেড় মাস আগে বদলি হয়ে মাগুরা আসেন।
অন্যদিকে মাগুরা শ্রীপুর উপজেলার সারঙ্গদিয়া গ্রামে নানা বাড়িতে বেড়াতে আসেন খুলনা মেট্রোপলিটনের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার লাবনী আক্তার। সেখান থেকে বৃহস্পতিবার সকালে তার গলায় ওড়না পেঁচানো লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
লাবনী আক্তারের বাবা শফিকুল আজম গণমাধ্যমকে বলেন, ১৭ জুলাই এক সপ্তাহের ছুটিতে লাবনী গ্রামের বাড়িতে বেড়াতে আসে। গ্রামের বাড়িতে এসে সে শ্রীপুর উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়নের সারঙ্গ দিয়া গ্রামে নানাবাড়িতে ছিল। বুধবার গভীর রাতে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করে। সকালে ডাকাডাকির পরও দরজা না খোলায়, দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়।
আত্মহত্যার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সাংসারিক বিষয় নিয়ে স্বামীর সঙ্গে লাবনীর কলহ চলে আসছিল। স্বামীর সঙ্গে তার বনিবনা হচ্ছিল না। সেজন্যই হয়তো আমার মেয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছে।