মাগুরার শ্রীপুর উপজেলায় খন্দকার লাবণী নামের যে অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (এডিসি) আত্মহত্যা করেছেন তার সাবেক দেহরক্ষী ছিলেন একই দিন আত্মহত্যা করা পুলিশ কনস্টেবল মাহমুদুল হাসান।
বুধবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে উপজেলার সারঙ্গদিয়া গ্রামে তার নানাবাড়ি থেকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় লাবণীকে উদ্ধার করা হয়। পরিবারের লোকজন তাকে হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
খন্দকার লাবণী খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের এডিসি হিসেবে কর্মরত ছিলেন। দুই দিন আগে ছুটিতে মাগুরায় আসেন তিনি। তিনি বিসিএস ৩০তম ব্যাচের ছিলেন।
অন্যদিকে বৃহস্পতিবার (২১ জুলাই) সকালে মাগুরা পুলিশ লাইনস থেকে কনস্টেবল মাহমুদুলের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করা হয়। সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে পুলিশ লাইনসের ব্যারাকের ছাদ থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। তার বাড়ি কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার পিপলুবাড়িয়া গ্রামে। দেড় মাস আগে তিনি মাগুরায় বদলি হয়ে আসেন। পুলিশের ধারণা, নিজ নামে ইস্যু করা অস্ত্র দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন তিনি।
মাগুরার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম দেশ টিভিকে বলেন, কনস্টেবল মাহমুদুল হাসান দেড় মাস আগে মাগুরায় বদলি হন। এর আগে তিনি খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের এডিসি খন্দকার লাবণীর দেহরক্ষী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। দুটি ঘটনার কোনো যোগসূত্র আছে কি না সেটি এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে এটুকু নিশ্চিত, দুজনেই আত্মহত্যা করেছেন।