প্রায় দুই ঘণ্টা পর স্বাভাবিক হয়েছে খুলনার সঙ্গে সারা দেশের রেল যোগাযোগ।দুর্ঘটনাকবলিত তেলবাহী ট্রেনের পেছনের চারটি বগি সরিয়ে মেইন লাইন চালু করলে রাত সাড়ে ৮টার দিকে রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক হয়।
এর আগে সন্ধ্যা ৬টা ২৫ মিনিটে পার্বতীপুর থেকে ছেড়ে আসা তেলবাহী ট্রেনটি যশোর রেল স্টেশনে প্রবেশের মুখে লাইনচ্যুত হয়।
স্থানীয় লোকজন জানান, সন্ধ্যার একটু আগে তেলবাহী ট্রেনটি যশোর শহরের রেলগেট এলাকা দিয়ে রেল স্টেশনে প্রবেশ করে। ট্রেনটির শেষের দিকের পঞ্চম বগিটি লাইনচ্যুত হয়। এতে রেল ট্র্যাকের প্রধান লাইনটি বন্ধ হয়ে যায়।
তারা আরও জানান, এর আগেও একই স্থানে একাধিকবার বগি লাইনচ্যুতের ঘটনা ঘটেছে। লাইনে ত্রুটি আছে বলেই প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে।
যশোর রেল স্টেশনের মাস্টার আয়নাল হক জানান, দুর্ঘটনাকবলিত ট্রেনটিতে ৩৬টি বগি ছিল। এর মধ্যে ৩১ নম্বর বগিটি লাইনচ্যুত হয়। দুর্ঘটনাকবলিত বগিটিসহ দুটি বগি রেখে সামনের ও পেছনের সব বগি সরিয়ে নেয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে মূল ট্রেন লাইনটি সচল করা হয়েছে। রাত ৮টা ৩০ মিনিটের পর থেকে খুলনার সঙ্গে সারা দেশের ট্রেন যোগাযোগ স্বাভাবিক হয়েছে।
তিনি বলেন, খুলনা থেকে রিলিফ ট্রেন আসার পর লাইনচ্যুত বগিটি উদ্ধার করে মূল ট্র্যাকে আনা হবে। এরপর তেলবাহী ট্রেনটি খুলনার উদ্দেশে ছেড়ে যাবে।