চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে খৈয়াছড়া ঝরনা এলাকায় লেভেল ক্রসিংয়ে ট্রেন দুর্ঘটনায় গেটম্যান সাদ্দাম হোসেন তার ভুল স্বীকার করেছেন। শুক্রবার (২৯ জুলাই) দুপুরে মহানগর প্রভাতী এক্সপ্রেস ট্রেন ও মাইক্রোবাসের মধ্যে সংঘর্ষের সময় তিনি জুমার নামাজে ছিলেন।
সোমবার (১ আগস্ট) গণমাধ্যমকে এতথ্য জানান মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও সীতাকুণ্ড রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ খোরশেদ আলম।
তিনি বলেন, ‘আটকের পর গেটকিপার সাদ্দাম হোসেন স্বীকার করেছেন তিনি ঘটনার সময় ছিলেন না। তিনি তখন জুমার নামাজে ছিলেন। লেভেল ক্রসিংয়ের বারও (ব্যারিয়ার) ফেলা ছিল না। এজন্য অনুতপ্ত হয়ে তিনি ভুল স্বীকার করেছেন।’
পুলিশের এ কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘সাদ্দাম যেহেতু স্বীকার করেছেন সেজন্য আদালতে রিমান্ডের আবেদন করা হয়নি। যেহেতু আসামি একমাত্র সাদ্দাম, সে জন্যও প্রয়োজন হয়নি।’
এদিকে ঘটনা তদন্তে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি করা হয়েছে। কয়েকদিনের মধ্যে তারা প্রতিবেদন জমা দেবেন বলে জানা গেছে।
শুক্রবার (২৯ জুলাই) দুপুরে মিরসরাইয়ের খৈয়াছড়া এলাকায় মহানগর প্রভাতী ট্রেন ও পর্যটকবাহী মাইক্রোবাসের সংঘর্ষের ঘটনায় ১১ জন নিহত হন। তারা হাটহাজারী উপজেলার আমানবাজার এলাকা থেকে একটি মাইক্রোবাসে খৈয়াছড়া ঝরনা দেখতে গিয়েছিলেন। ভ্রমণ শেষে ফেরার পথে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আরও ছয়জন আহত হন।
অভিযোগ ওঠে, গেটম্যান সাদ্দামের দায়িত্বে অবহেলার কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটে। লেভেল ক্রসিংয়ের বারও (ব্যারিয়ার) ফেলা ছিল না। ঘটনার সময় জুমার নামাজ পড়তে সাদ্দাম মসজিদে ছিলেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।