বরগুনায় জাতীয় শোক দিবসে ছাত্রলীগের র্যালিতে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে পুলিশের লাঠিচার্জের নিন্দা জানিয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু। এরপর ছাত্রলীগের একাংশ আবার পুলিশকেই ধন্যবাদ জানিয়েছে!
সোমবার (১৫ আগস্ট) সন্ধ্যায় বরগুনা প্রেসক্লাবে আয়োজিত জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু বলেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মহররম আলী যে আচরণ করেছেন, তা অন্যায়। তার বিচার হওয়া উচিত।
এরপর রাতে প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে জেলা ছাত্রলীগ। জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নেতৃত্বে সংবাদ সম্মেলনে ছাত্রলীগের জেলা কমিটির একাংশের কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
ছাত্রলীগ সভাপতি রেজাউল কবির এবং সাধারণ সম্পাদক তৌশিকুর রহমান ইমরান বলেন, ‘তাদের ওপর যারা হামলা করেছে তারা ছাত্রলীগের কেউ না। তারা মাদকসেবী মোস্তাকের অনুসারী। পুলিশ আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় লাঠিচার্জ করে সঠিক কাজ করেছে। আর ছাত্রলীগের দুই গ্রুপে কোনও সংঘর্ষ হয়নি।’
পুলিশের বিরুদ্ধে তাদের কোনও অভিযোগ নেই।
সোমবার ছাত্রলীগের শোক মিছিলে এক গ্রুপ ইটপাটকেল নিক্ষেপ করলে পুলিশের গাড়ির গ্লাস ফেটে যায়। পুলিশ এ সময় ছাত্রলীগ কর্মীদের বেধড়ক লাঠিপেটা করে। এক পর্যায়ে সংসদ সদস্য ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু লাঠিচার্জ না করার জন্য বললে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অন্যান্য পুলিশ কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে সংসদ সদস্যের সাথে তর্কে জড়িয়ে পড়েন। এই ঘটনার ভিডিও ফুটেজ ভাইরাল হয়।