দৈনিক মজুরি ১২০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩০০ টাকা করার দাবিতে চা-শ্রমিকেরা যে আন্দোলনে নেমেছেন, তার পক্ষে ধীরে ধীরে সংহতি প্রকাশ করতে শুরু করেছেন সমাজের নানা শ্রেণিপেশার মানুষ।
শ্রমিকদের পাশে থাকার বার্তা দিতে গৌরব ’৭১ নামের একটি সংগঠনের পক্ষ থেকে শনিবার (২০ আগস্ট) রাজধানী ঢাকার শাহবাগে সংহতি সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে। এদিন সকাল ১১টায় এই সমাবেশ শুরু হবে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এবিষয়ে লেখালেখি করছেন অনেকে।
শ্রমিকেরা ধর্মঘট পালন করলেও এখনো সমাধানের কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় ঢাকার শ্রম অধিদপ্তরের কার্যালয়ে চা-বাগান মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশীয় চা সংসদ ও চা-শ্রমিকদের সংগঠন বাংলাদেশ চা-শ্রমিক ইউনিয়নের নেতাদের একটি সভা হয়। সভাটি শেষ হয় রাত সাড়ে ১১টায়। সেখানে কোনো সমঝোতা হয়নি।
বৈঠকে শ্রম অধিদপ্তরের মহাপরিচালক খালেদ মামুন চৌধুরী, বাংলাদেশ চা-শ্রমিক ইউনিয়নের সাতটি ভ্যালির সভাপতি ও সংগঠনের নির্বাহী উপদেষ্টা রামভজন কৈরী, সহসভাপতি পংকজ কন্দ, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নিপেন পাল, অর্থ সম্পাদক পরেশ কালিন্দি, মনু ধলাই ভ্যালির সম্পাদক নির্মল দাশ পাইনকা, বাংলাদেশীয় চা সংসদের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ চা-শ্রমিক ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) নিপেন পাল গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমরা আমাদের দাবি মালিকপক্ষ ও সরকারের কাছে তুলে ধরেছি। মালিকপক্ষ দৈনিক মজুরি ১৪০ টাকা করার প্রস্তাব দিয়েছে। আমরা সেটা মানিনি। সারা দেশের চা-শ্রমিকেরা আমাদের দিকে তাকিয়ে রয়েছেন। উপযুক্ত মজুরি না পেলে আমরা সমঝোতা করব না। আমাদের আন্দোলন অব্যাহত আছে। আমরা বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করব।’