কক্সবাজারে বঙ্গোপসাগরের নাজিরারটেক মোহনায় ট্রলারডুবির ঘটনায় নিখোঁজ আরো তিন জেলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় এখনো নিখোঁজ রয়েছেন তিন জেলে।
রোববার (২১ আগস্ট) সকালে সোনাদিয়া চ্যানেল থেকে ভাসমান অবস্থায় তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ নিয়ে এ ঘটনায় পাঁচ জেলের মরদেহ উদ্ধার করা হলো। তবে তাৎক্ষণিকভাবে মৃত ওই জেলেদের পরিচয় পাওয়া যায়নি।
এর আগে শনিবার (২০ আগস্ট) বিকেলে দুই জেলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এরা হলেনঃ খুরুশকুল পালপাড়ার ফজল মিয়ার ছেলে আয়ুব ও একই এলাকার গুরা মিয়ার ছেলে সাইফুল ইসলাম।
এ ব্যাপারে কক্সবাজার সদর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আমজাদুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, শনিবার বিকেলে মহেশখালী চ্যানেলে একটি মৃতদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা খবর দেন। এর আগেই স্থানীয় জেলেরা মৃতদেহটি খুরুশকুল আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাঁধের ওপর তুলে রাখেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মৃতদেহটি উদ্ধার করে। এরপর সেটি ট্রলারডুবির ঘটনায় নিখোঁজ জেলে আয়ুবের বলে শনাক্ত করে তার পরিবার।
তারপর বঙ্গোপসাগরের সোনাদিয়া চ্যানেলে সন্ধ্যায় আরও একটি মৃতদেহ ভাসতে দেখেন স্থানীয়রা। পরে তাকেও উদ্ধার করে খুরুশকুলের ঘাটে নিয়ে আসা হয়। উদ্ধার করা এ মৃতদেহটি ডুবে যাওয়া একই ট্রলারের জেলে সাইফুল ইসলামের বলে শনাক্ত করে পরিবার। মৃতদেহ দুটি পুলিশ হেফাজতে রয়েছে। রোববার সকালে চ্যানেল থেকে আরও তিন জেলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
শুক্রবার দুপুরে নাজিরারটেক মোহনায় ডুবে যায় কক্সবাজার সদর উপজেলার খুরুশকুল লামাজিপাড়ার জাকের সওদাগরের ট্রলার এফবি মায়ের দোয়া। ট্রলারের ১৯ জেলের মধ্যে ৮ জনকে জীবিত উদ্ধার করেন স্থানীয় জেলেসহ কোস্টগার্ড সদস্যরা। অন্য ট্রলারে তীরে ফেরেন আরও তিন জেলে। আর নিখোঁজ ৮ জেলের মধ্যে রোববার পর্যন্ত পাঁচ জেলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।