সন্ত্রাসী বাহিনী ব্যবহার করে বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার খড়মখালী শ্রী শ্রী হরিসভা আশ্রম মন্দিরের জায়গা দখলের অভিযোগ উঠেছে।
মন্দির কমিটির সভাপতি ৯০ বছর বয়সী রবিন মন্ডল সোমবার (২৯ আগস্ট) সংবাদ সম্মেলন করে এই অভিযোগ তোলেন।
এদিন দুপুরে অসুস্থ অবস্থায় ব্রহ্মগাতি গ্রামে নিজ বাড়িতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে রবিন মন্ডল বলেন, ‘গত ২৬ আগস্ট শুক্রবার সকাল আটটায় খড়মখালী গ্রামের অনন্ত মজুমদারের ছেলে হরিদাস মজুমদার ২০/২৫ জন সন্ত্রাসী এনে মন্দিরের জায়গায় থাকা ঘর দখলের পায়তারা চালায়।’
তিনি বলেন, ‘তখন আমিসহ মন্দিরের ভক্ত গোলাপ জয়ধর, রুবেল রানা এবং ধিরেন বালা বাঁধা দেই। তখন হরিদাসের সন্ত্রাসী বাহিনীর হামলায় আমি ও গোপেন জয়ধর আহত হই। পরে স্থানীয়রা আমাদের উদ্ধার করে চিতলমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। বর্তমানে আমরা হরিদাস মজুমদার ও তার সন্ত্রাসী বাহিনীর আতঙ্কে রয়েছি। ’
রবিন মন্ডল আরও বলেন, ‘প্রায় ৩০/৩৫ বছর ধরে মন্দিরের ওই জায়গায় পূজাঅর্চনাসহ ভগবানের নামকীর্তন, রান্নাবান্না ও প্রসাদ বিতরণ করা হয়। এছাড়া ওই জায়গায় মন্দিরের পক্ষে হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টের রায় রয়েছে। হরিদাস মজুমদার আদালতের রায় অমান্য করে সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে বারবার মন্দিরের জায়গা দখল করতে আসে এবং বিভিন্ন সময়ে মন্দিরের ভক্তদের হুমকি দিয়ে আসছে।’
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন চরবানিয়ারী ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত মহিলা সদস্য কানন কির্তুনীয়া, সমাজসেবক নিহার রায় গজেন, মন্দিরের সেবাইত গোপাল জয়ধর।
তারা বলেন, ‘চিতলমারী উপজেলার একটি ঐতিহ্যবাহী মন্দিরের জায়গা দখলসহ সভাপতি ও ভক্তদের ওপর হামলার ঘটনায় হাজার হাজার ভক্তের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লেগেছে। আমরা দখলবাজ, সন্ত্রাসীদের পৃষ্ঠপোষক হরিদাস মজুমদারের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি চাই।’