কক্সবাজারে ১০ লাখের অধিক রোহঙ্গিা বসবাস করায় স্থানীয় জনগোষ্ঠি নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে মন্তব্য করছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।
রোববার (০২ অক্টোবর) দুপুরে কক্সবাজারের টেকনাফে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) কর্তৃক নির্মাণাধীন ১০০টি কমিউনিটি ক্লিনিকের মধ্যে নবনির্মিত ১২টি ক্লিনিকের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য কথা বলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গাদের কারণে ক্যাম্প ও আশপাশে বিভিন্ন অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে। তাদের কারণে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর চিকিৎসা ব্যাহত হচ্ছে। বর্তমান সরকার স্থানীয় জনগোষ্ঠীর চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে চায়।
সরকার কক্সবাজারে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠানোর জন্য কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলেও জানান তিনি।
জাহেদ মালেক বলেন, সর্বদক্ষিণের এই অংশে মৌলিক অবকাঠামো এবং পরিষেবাগুলো আগে থেকেই জাতীয় গড়ের তুলনায় কম ছিল। এখানকার স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলোর মধ্যে অনেকগুলোই প্রায় দুই দশক আগে নির্মিত। সেগুলো বন্যা ও অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে অবকাঠামোগত ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। ক্লিনিকগুলোর পুরোনো ভবন ভেঙে আইওএম নতুন দুই তলা বিশিষ্ট ভবন নির্মাণ করেছে। নবনির্মিত এই ভবনগুলো আগের চেয়ে আরও বড় ও পরিবেশগতভাবে টেকসই।
এ সময় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসাইন হাওলাদার, মহাপরিচালক অধ্যাপক আবুল বশর মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, অতিরিক্ত সচিব জাহাঙ্গীর আলম, আইওএম বাংলাদেশ মিশনের প্রধান আব্দুস সাত্তার ও কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদসহ স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত।