সাবেক ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যও প্রযুক্তিমন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকীকে গ্রেপ্তারে স্পিকারের অনুমতির প্রয়োজন নেই— বলে জানিয়েছেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। সোমবার সংসদ অধিবেশন শুরুর আগে বিকেল পৌনে ৪টার দিকে তার কার্যালয়ে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
স্পিকার বলেন, কার্যপ্রণালী বিধি অনুযায়ী শুধুমাত্র সংসদ লবি, গ্যালারি ও চেম্বার থেকে কোন সংসদ সদস্যকে গ্রেপ্তারের ক্ষেত্রে স্পিকারের অনুমতির প্রয়োজন হয়, এছাড়া কোনো অনুমতি লাগে না।
স্পিকার সাংবাদিকদের বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর যেটা বলেছেন সেটা ভুল বলেছেন, এটা স্পিকারের কোনো বিষয় নয়, তবে প্রচলিত আইনে সংসদ অধিবেশন শুরু হওয়ার ১৪দিন আগে ও সংসদ অধিবেশন শেষ হওয়ার ১৪দিন পর্যন্ত কোনো সিটিং এমপিকে গ্রেপ্তার করা যাবে না বলা আছে।
এদিকে, দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল জানিয়েছেন, আইনি জটিলতার কারণেই সাবেক মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকীকে গ্রেপ্তার করতে পারছে না আইন শৃঙ্খলা বাহিনী। আবদুল লতিফ সিদ্দিকীকে গ্রেপ্তারে হাইকোর্টের নির্দেশনা রয়েছে সত্য, তেমনি তিনি এখনো একজন সংসদ সদস্য সেটিও সত্য। স্পিকারের অনুমতি ছাড়া একজন সাংসদকে গ্রেপ্তার করা যায় না।
স্পিকার বলেন, তবে কোনো সংসদ সদস্যকে গ্রেফতার করা হলে তাকে (স্পিকারকে) অবহিত করার বিধান রয়েছে। এক্ষেত্রে স্পিকার সংসদে থাকলে সংসদে জানাতে হবে, না থাকলে চিঠি দিতে হবে।
তিনি বলেন, অধিবেশন চলাকালে কোনো সংসদ সদস্য গ্রেপ্তার করার বিষয় আমাকে অবহিত করা হলে, আমি সংসদে তা পাঠ করে শোনাব। নবম জাতীয় সংসদে স্পিকার থাকাকালীন সময়েও সিটিং এমপিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। আমাকে অবহিত করার পর আমি সেটা সংসদে পাঠ করে শুনিয়েছি।