একসঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে কাঠমান্ডু ঘোষণায় মধ্য দিয়ে সার্ক সমাপনী অনুষ্ঠান বৃহস্পতিবার নেপালের কাঠমান্ডুতে শেষ হয়েছে।
এ সময় আন্তঃযোগাযোগ, বাণিজ্য সহযোগিতা, জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস দমনে একসঙ্গে কাজ করার কথাও বলা হয়।
জানা গেছে, আঞ্চলিক মোটর যান ও ট্রেন চলাচল চুক্তি জন্য আগামী ৩ মাসের মধ্যে সার্কভুক্ত দেশের পরিবহনমন্ত্রী আলোচনায় বসবেন।
এর আগে দক্ষিণ এশিয়ায় জ্বালানি সহযোগিতাবিষয়ক চুক্তিটি অবশেষে সই হয়। নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও সচিবদের বৈঠকে চুক্তিটি সই হয়।
সার্কের চেয়ারপারসন সুশীল কৈরালা এ চুক্তি সাক্ষরকে সম্মেলনের গুরুত্বপূর্ণ অর্জন আখ্যায়িত করে বলেন, এর ফলে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে যোগাযোগ আরো বাড়বে।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নেওয়াজ শরীফ বলেন, এবারের শীর্ষ সম্মেলন শান্তি, সমৃদ্ধি ও অগ্রগতির পথে সার্কের অঙ্গীকারকে আরো জোরালো করেছে। তিনি এই সম্মেলনকে ফলপ্রসূ আখ্যায়িত করে, উষ্ণ আতিথেয়তার জন্য নেপালের প্রধানমন্ত্রী ও সেদেশের জনগণকে ধন্যবাদ জানান।
তিনি ইসলামাবাদে পরবর্তী সার্ক শীর্ষ সম্মেলনে নেতৃবৃন্দকে আমন্ত্রণ জানান।
সকালে সার্ক সম্মেলনের অবকাশ কর্মসূচির অনুষ্ঠানে আলোচনায় সার্কের নেতারা চুক্তিটি সই করতে সর্বসম্মতভাবে সিদ্ধান্ত নেন।
এরআগে বুধবার সার্ক শীর্ষ সম্মেলনের প্রথম দিনে বিষয়গুলো চূড়ান্ত না হওয়ায় তা সই হয়নি।
দক্ষিণ এশিয়ায় ‘শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য নিবিড় সংহতির প্রত্যয়ে গতকাল বুধবার কাঠমান্ডুতে শুরু হয় দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থার (সার্ক) ১৮তম সার্ক শীর্ষ সম্মেলন। বৃহস্পতিবার বিকেলে হয় এর সমাপনী।
‘শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য আরও ঘনিষ্ট সম্পর্ক’- এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে ১৮তম সার্ক শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
বুধবার সম্মেলনে যোগ দিতে স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৮টা থেকেই সম্মেলনস্থল কাঠমান্ডুর সিটি হল-রাষ্ট্রীয় সভাগৃহে উপস্থিত হন সদস্য ৮ দেশের সরকার ও রাষ্ট্র প্রধানরা। কাঠমান্ডুর সিটি হল-রাষ্ট্রীয় সভাগৃহে সম্মেলনের উদ্বোধন করেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী সুশীল কৈরালা।
পরবর্তীতে সার্ক অনুষ্ঠিত হবে পাকিস্তানে।