আদালত

সংশ্লিষ্ট খবর:

  • আজহারের সবোর্চ্চ শাস্তিতে খুশি রংপুরবাসী

  • আজহারের প্রমাণিত অভিযোগগুলো

  • এদেশের মানুষ কাঙ্ক্ষিত রায় পেয়েছে: ইমরান

  • রায়ে সন্তোষ প্রকাশ আওয়ামী লীগের

মানবতাবিরোধী অপরাধ: আজহারের ফাঁসি

এটিএম আজহারুল ইসলাম
এটিএম আজহারুল ইসলাম

মুক্তিযুদ্ধের সময় জামাত ইসলামীর ছাত্রসংগঠন ছাত্রসংঘের নেতা এটিএম আজাহারুল ইসলামের বিরুদ্ধে হ্ত্যা, গণহত্যা,ধর্ষণ লুণ্ঠন, অগ্নিসংযোগসহ ৯ ধরনের অপরাধে ছয়টি অভিযোগ এনেছে প্রসিকিউশন।

পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় মানবতাবিরোধী অপরাধের পরিকল্পনা, ষড়যন্ত্র ও তা বাস্তবায়নে সক্রিয়ভাবে জড়িত থেকে এসব অপরাধ সংঘটন করেন এটিএম আজহার।

মুক্তিযুদ্ধের সময় আলবদরের নেতৃত্বে থাকায় তার বিরুদ্ধে সুপিরিয়র রেসপনসিবিলিটি (ঊর্ধ্বতন নেতৃত্বের দায়) আনা হয়েছে।

ট্রাইব্যুনাল মঙ্গলবার আজহারের রায় ঘোষণা করেছে। তাকে ফাঁসির আদেশ দিয়েছে।

২, ৩, ৪ নম্বর অভিযোগে তাকে মৃত্যুদণ্ড, ৫ নম্বর অভিযোগে ২৫ বছর ও ৬ নম্বর অভিযোগে ৫ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে। আর এক নম্বর অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি।

আজহারের বিরুদ্ধে প্রসিকিশনের আনা ছয়টি অভিযোগের মধ্যে ৫টি প্রমাণিত হয়েছে।

প্রথম অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি।

১৯৭১ সালের ২৪ মার্চ থেকে ২৭ মার্চের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, ভাসানী (ন্যাপ) নেতা ও রংপুর শহরের বিশিষ্ট আয়কর আইনজীবী এ ওয়াই মাহফুজ আলীসহ ১১ জনকে অপহরণ, আটক শারীরিক নির্যাতন করা করে ৩ এপ্রিল রংপুর শহরের দখিগঞ্জ শ্মশানে নিয়ে ব্রাশফায়ার করে হত্যা ।

দ্বিতীয় অভিযোগ: প্রমাণিত-রায় মৃত্যুদণ্ড।

একাত্তরের ১৬ এপ্রিল তার নিজ এলাকা রংপুরের বদরগঞ্জ থানার ধাপপাড়ায় ১৫ জন নিরীহ, নিরস্ত্র বাঙালিকে গুলি করে হত্যা, গণহত্যা, লুণ্ঠন ও অগ্নিসংযোগ।

তৃতীয় অভিযোগ: প্রমাণিত-রায় মৃত্যুদণ্ড।

একই বছরের ১৭ এপ্রিল নিজ এলাকা রংপুরের বদরগঞ্জের ঝাড়ুয়ারবিল এলাকায় এক হাজার ২০০ বেশি নিরীহ লোক ধরে নিয়ে হত্যা, গণহত্যা, লুণ্ঠন ও অগ্নিসংযোগ ।

চতুর্থ অভিযোগ: প্রমাণিত-রায় মৃত্যুদণ্ড।

১৭ এপ্রিল কারমাইকেল কলেজের চারজন অধ্যাপক ও একজন অধ্যাপক পত্মীকে কলেজ ক্যাম্পাস থেকে অপহরণ করে দমদম ব্রিজের কাছে নিয়ে গুলি করে হত্যা ।

পঞ্চম অভিযোগ: প্রমাণিত- রায় ২৫ বছরের জেল।

২৫ মার্চ থেকে ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে রংপুর শহর ও বিভিন্ন অঞ্চল থেকে মহিলাদের ধরে এনে টাউন হলে আটকে রেখে ধর্ষণসহ শারীরিক নির্যাতন চালান। একই সঙ্গে মহিলাসহ নিরীহ নিরস্ত্র বাঙালিদের অপহরণ, আটক, নির্যাতন, গুরুতর জখম, হত্যা ও গণহত্যা।

ষষ্ঠ অভিযোগ: প্রমাণিত রায় ৫ বছরের কারাদণ্ড।

একাত্তরের নভেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে রংপুর শহরের গুপ্তপাড়ায় একজনকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয়। একই বছরের ১ ডিসেম্বর রংপুর শহরের বেতপট্টি থেকে একজনকে অপহরণ করে রংপুর কলেজের মুসলিম ছাত্রাবাসে নিয়ে আটক রেখে অমানুষিক শারীরিক নির্যাতন ও গুরুতর জখম ।

দেশটিভি/আরসি
দেশ-বিদেশের সকল তাৎক্ষণিক সংবাদ, দেশ টিভির জনপ্রিয় সব নাটক ও অনুষ্ঠান দেখতে, সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল:

এছাড়াও রয়েছে

আল আমিনের তালাক: সন্তান নিয়ে আদালতে স্ত্রী

অস্ত্র মামলা: জি কে শামীমসহ ৮ জনের যাবজ্জীবন

আবেদন করলে খালেদা জিয়ার আবারো মুক্তির মেয়াদ বাড়বে: আইনমন্ত্রী

রুবেল-বরকতের অর্থপাচার মামলা ফের তদন্তের নির্দেশ আদালতের

জাহালমকে পাঁচ লাখ টাকা দিলো ব্র্যাক ব্যাংক

৮৫ নির্বাচন কর্মকর্তাকে চাকরিতে পুনর্বহালের আদেশ বাতিল

সরকারি কর্মচারীদের গ্রেপ্তারে পূর্বানুমতি বাতিলের রায় স্থগিত

ডেসটিনির চেয়ারম্যান হারুন-অর-রশিদের জামিন

সর্বশেষ খবর

স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার নারী দিবস উদযাপন

শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ করলেন মোস্তাফিজুর রহমান

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ইউল্যাব’ শিক্ষার্থীদের ফটোওয়াক

ভান্ডারিয়া ও মঠবাড়িয়ায় পৌর প্রশাসক নিয়োগ