সিটি করপোরেশন নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা মধ্যরাতেই শেষ হয়েছে। মঙ্গলবার তিন সিটি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। চলবে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। ইতোমধ্যেই সব প্রস্তুতি শেষ করে এনেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
সুষ্ঠু নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত করতে সতর্ক আছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ৭৫ হাজার সদস্য। ঢাকা উত্তরে ১৬, দক্ষিণে ১৯ ও চট্রগ্রামে ১২ এই তিন সিটি মিলিয়ে ৪৭ জন মেয়র প্রার্থী লড়ছেন নির্বাচনে।
রোববার মধ্যরাতে ভোটগ্রহণের ৩২ ঘণ্টা আগেই শেষ হয় সিটি নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা। শেষ সময় পর্যন্ত নগরীর উন্নয়নে নানা প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোটারদের মন জয়ের চেষ্টা করেন প্রার্থীরা।
ঢাকা উত্তর, ঢাকা দক্ষিণ ও চট্রগ্রাম সিটির নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সব প্রস্তুতি শেষ করেছে নির্বাচন কমিশন। তিন সিটির সব জায়গায় ব্যালট পেপার, স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সসহ পৌঁছে গেছে ভোটের যাবতীয় সরঞ্জাম।
ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ দুই সিটিতে মোট ৯৩টি ওয়ার্ড। এর মধ্যে-
ভোটার ৪২ লাখ ২৫ হাজার ১২৭ জন
পুরুষ ভোটার ২২ লাখ ৩৩ হাজার ৯৮৭ জন
নারী ভোটার ১৯ লাখ ৮২ হাজার ১৪০ জন
ভোট কেন্দ্র ১৯ হাজার ৮২টি
ভোটকক্ষ ৯১ হাজার ২১৩টি
ভোট গ্রহণ কর্মকর্তা ৩৩ হাজার ৮৯৬ জন
আর চট্রগ্রাম মহানগরীর ৪১টি ওয়ার্ডে
ভোটার ১৮ লাখ ১৩ হাজার ৪৪৯ জন
ভোট কেন্দ্র ৭১৯টি
তিন সিটির প্রায় ৮২% কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ বলে চিহ্নিত করেছে নির্বাচন কমিশন।
নির্বাচনী এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রায় ৭৫ হাজার সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
এদিকে, মাঠে না থাকলেও সেনা নিবাসে রিজার্ভ ফোর্স হিসেবে প্রস্তুত থাকছে তিন ব্যাটালিয়ন সেনা। এর মধ্যে-
ঢাকা উত্তরের জন্য ৩০ হাজার ৭৬৪জন
দক্ষিণে ২১ হাজার ৪৭০ জন
চট্টগ্রামে ২১ হাজার ৪৭০জন
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকছে।
এছাড়া, প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ২২ জন এবং ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে ২৪জন সদস্য মোতায়েন থাকবে বলে কমিশন জানিয়েছে।