রাশিয়া গতকাল শনিবার এক বিবৃতিতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ন্যাটোভুক্ত দেশগুলোকে ইউক্রেনে অস্ত্র পাঠানো বন্ধের জন্য আহ্বান জানিয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, পশ্চিমারা ইউক্রেনে যেসব অস্ত্র পাঠাচ্ছে তার মধ্যে সহজে বহনযোগ্য অ্যান্টি-এরিয়াল স্টিনজার ক্ষেপণাস্ত্র সন্ত্রাসীদের হাতে চলে গেলে তা বিমান চলাচলের জন্য হুমকি হয়ে উঠতে পারে।
ইউক্রেনে রুশ সামরিক অভিযান বন্ধে নজিরবিহীন নিষেধাজ্ঞা আরোপের মাধ্যমে রাশিয়াকে যুদ্ধ বন্ধের চেষ্টা করলেও রাশিয়া যুদ্ধ বন্ধ থেকে বিরত রয়েছে। ইউক্রেন ন্যাটো ও যুক্তরাষ্ট্রকে নো-ফ্লাই জোন ঘোষণার দাবি করলেও তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরুর শঙ্কায় নো-ফ্লাই জোন ঘোষণা থেকে বিরত রয়েছে।
অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা জারির পাশাপাশি সামরিক অস্ত্র পাঠাচ্ছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। যদিও সরাসরি যুদ্ধে অংশগ্রহণের কোনো পরিকল্পনা উড়িয়ে দিয়েছে তারা।
তবে গতকাল শনিবার এক ভাষণে পুতিন বলেন, রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা যুদ্ধ ঘোষণার শামিল।
শুক্রবার দেশটির পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ দুমায় একটি আইন পাশ হয়। আইনে বলা হয়, রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হবে। তবে, পুতিনের হুমকির কারণে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্র নিষেধাজ্ঞা থেকে বিরত থাকবে না বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা।