সুন্দরবনের শ্যালা নদীতে ডুবে যাওয়া তেলবাহী ট্যাংকার উদ্ধারের পর আশেপাশের নদী এবং খালে ছড়িয়ে পড়া তেল সরানোর কাজ শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে শুরু করেছে স্থানীয় বনজীবি এবং এলাকাবাসী। বন বিভাগের সহায়তায় তারা জাল এবং কাপড়ের মাধ্যমে তেল সংগ্রহ করছে। এদিকে, সরকারের নির্দেশে সুন্দরবনের ভেতর দিয়ে সব রুটে নৌযান চলাচল বন্ধ রয়েছে।
আমাদের সংবাদদাতা জানিয়েছেন, ট্যাংকার ডুবে সুন্দরবনের নদী ও খালে তেল ছড়িয়ে যাওয়ার ৩ দিন পর শুরু হয়েছে তেল অপসারনের কাজ। বন বিভাগের সহায়তায় স্থানীয় বনজীবী ও এলাকাবাসী এ কাজ শুরু করেন। নৌকায় চড়ে নদী ও খাল থেকে জাল ও কাপড়ের মাধ্যমে তেল সংগ্রহ করছেন তারা।
রাষ্ট্রায়ত্ত্ব প্রতিষ্ঠান পদ্মা অয়েল কোম্পানির ঠিকাদার তাদের কাছ থেকে এ তেল কিনে নিচ্ছে। আর তেল সরানোর পুরো কাজ তদারকি করছে বনবিভাগ, বিআইডাব্লিউটিএ, কোস্টগার্ড নৌপুলিশ ও মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ।
তেল যাতে আরো ছড়িয়ে না পড়ে সেজন্য স্থানীয় জেলেদের সহায়তায় বনরক্ষীরা বুধবার থেকেই দুর্ঘটনাস্থলের কাছে শেলা নদীর খালগুলোর মুখ জাল দিয়ে আটকে দেয়। আর পাম্পিং এর মাধ্যমে উদ্ধার করা জাহাজ থেকে পানি সরানো হচ্ছে।
এদিকে, তেলের ক্ষতিকর প্রভাব কাটানোর জন্য কাণ্ডারি-১০ জাহাজটিকে দশ হাজার লিটার রাসায়নিক দ্রব্য নিয়ে ঘটনাস্থলে নোঁঙ্গর করে রাখা হয়েছে। পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা সকাল থেকে কাণ্ডারি-১০ জাহাজে রাসায়নিক দ্রব্যগুলো পরীক্ষা নিরীক্ষা করছেন।
সুন্দরবনের জীববৈচিত্রে এসব রাসায়নিক দ্রব্য কোনো ক্ষতিকর প্রভাব পড়তে পারে কি-না, তাও খতিয়ে দেখছেন তারা।