রাজাকার শিরোমণি, ৯০ বছর কারাদণ্ড পাওয়া যুদ্ধাপরাধী গোলাম আযমের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। শনিবার বেলা ৩টা ৩০ মিনিটে মগবাজারের পারিবারিক কবরস্থানে তার বাবার কবরের পাশে তাকে দাফন করা হয়েছে।
ছেলে আব্দুল্লাহিল আমান আযমী ও তার পরিবারের ২ জন সদস্য গোলাম আযমের মরদেহ কবরে রাখেন।
এ সময় জামাতে ইসলামীর নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান, কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক অধ্যাপক তাসনীম আলম, ঢাকা মহানগরী জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিনসহ কেন্দ্রীয় ও মহানগর জামায়াতের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে গোলাম আযমের নামাজে জানাজা বাদ জোহর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে অনুষ্ঠিত হয়।
জানাজায় ইমামতি করেন তার ছেলে আব্দুল্লাহ হিল আমান আজমি। জানাজা শেষে মগবাজারে পারিবারিক কবরস্থানে গোলাম আযমের দাফন হবে বলে তার পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
এদিকে, জানাজা ও দাফনকে কেন্দ্র করে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বায়তুল মোকাররম এলাকাসহ রাজধানীতে নেয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
তবে সকাল সাড়ে ১১টার দিকে মসজিদের উত্তর গেটে কয়েকটি বোমার বিস্ফোরণ হয়। দুপুরে রাজধানীর পল্টনে গোলাম আযমের লাশবাহী গাড়িবহরে জুতা নিক্ষেপ করে বিক্ষুব্ধ জনতা।
গত বুধবার বিকেলে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে গোলাম আযমকে হাসপাতালের আইসিইউতে নেয়া হয়। পরে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর অবস্থার দ্রুত অবনতি হলে তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। পরে রাতেই তার মৃত্যু হয়। শুক্রবার সকালে ময়নাতদন্ত শেষে স্বজনদের কাছে তার মৃতদেহ হস্তান্তর করা হয়।