ঈদযাত্রায় মোটরসাইকেল নিষিদ্ধ করার পরও অনেক চালক ফেরিঘাটে গিয়ে ‘অনুনয়-বিনয়’ করায় ‘মানবিক কারণ’ দেখিয়ে তাদের পারাপারের অনুমতি দিয়েছে বিআইডব্লিউটিসি কর্তৃপক্ষ।
শুক্রবার (৮ জুলাই) সকালে ঘাটে গিয়ে দেখা যায়, শিমুলিয়া দুই নম্বর ফেরি ঘাট থেকে মিডিয়াম ‘রো রো ফেরি কুমিল্লা’ দিয়ে মোটরসাইকেল পারাপারের প্রস্ততি চলছে।
বিআইডব্লিউটিসির ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) ফয়সাল আহমেদ দেশ টিভিকে বলেন, ‘বিশেষ বিবেচনায় এবং মানবিক কারণে ফেরি দিয়ে মোটরসাইকেল পারাপারের উদ্যোগ নিয়েছে বিআইডব্লিউটিসি কর্তৃপক্ষ।’
পদ্মা সেতু দিয়ে মোটরসাইকেল পারাপার আগেই নিষিদ্ধ করে সেতু কর্তৃপক্ষ। পরে ঈদের সময় মহাসড়কেই মোটরসাইকেল নিষিদ্ধ করা হয়।
কিন্তু দক্ষিণবঙ্গের কয়েক জন চালক নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মোটরসাইকেলে পদ্মা সেতু পাড়ি দিতে গিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা গুনেছেন।
নির্দেশনা বাস্তবায়নে পদ্মা সেতুতে টহল দিচ্ছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।
এমন অবস্থায় চালকেরা ভিড় করছেন শিমুলিয়া ঘাটে।
এদিকে ঈদযাত্রার শেষ মুহূর্তে শুক্রবার (৮ জুলাই) দেশের অধিকাংশ মহাসড়কে গাড়ির চাপ বেড়েছে। এতে গরম আর যানজটে সীমাহীন দুর্ভোগে পড়েছেন ঘরমুখো যাত্রীরা।
সাভারের নবীনগর-চন্দ্রা ও ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে গতকাল রাত থেকেই তৈরি হয় তীব্র যানজট। থেমে থেমে চলছে অধিকাংশ যানবাহন। ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের টঙ্গি থেকে চান্দনা পর্যন্ত প্রায় ১২ কিলোমিটার সড়কেরও একই চিত্র, খুবই ধীর গতিতে চলছে গাড়িগুলো।
ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের চন্দ্রা, সফিপুর ও কালিয়াকৈরে প্রায় ১০ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে থেমে থেমে চলছে যানবাহন। তবে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া ফেরিঘাটে পারাপারের জন্য গাড়ির তেমন চাপ নেই। ফেরি বা লঞ্চে করে নদী পার হচ্ছেন বিপুল সংখ্যক ঘরমুখো মানুষ।